ঢাকা: করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজা দর্শনে জারি হলো বিশেষ নির্দেশ।

ঢাকা মহানগর পুলিশ জানিয়েছে, কোনও অবস্থায় দর্শনার্থীদের মাস্ক ছাড়া মণ্ডপে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। এছাড়াও রয়েছে আরও কিছু নিয়ম। করোনাভাইরাস সংক্রমণ আসন্ন শীতে আরও ছড়াতে পারে। এই আশঙ্কায় আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, টিকা আসা পর্যন্ত অপেক্ষার মাঝে করোনার সংক্রমণ যতটা সম্ভব রুখতে হবে। ঈদের পর পর বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ বড়সড় আকার নিয়েছিল।এরপর এসেছে দুর্গাপূজা। বাংলাদেশ প্রস্তুত দেশের অন্যতম উৎসব পালনের জন্য।

প্রতিবেশী ভারতে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু বিরাট আকার নিয়েছে। ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধনের আশঙ্কা দুর্গা পূজার দর্শনার্থীদের ভিড়ে সংক্রমণ তীব্র হতে হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গের সরকার দুর্গাপূজা দর্শনে বিভিন্ন নিয়ম জারি করেছে। বাংলাদেশের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ উৎসব দুর্গাপূজা।

ঢাকা মহানগর পুলিশ শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক সংক্রান্ত বিষয়ে পর্যালোচনা করে। ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, করোনার কারণে বিভিন্ন জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠান সংক্ষিপ্ত আকারে করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্বল্প পরিসরে দর্শনার্থীদের পূজা মণ্ডপে প্রবেশের ব্যবস্থা করার পরামর্শ দেন তিনি।

দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত হয়। সেগুলো হলো-

১. দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরির সময়, পূজা চলাকালীন ও বিসর্জনের সময় মোবাইল পেট্রলের মাধ্যমে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।

২. ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এলাকাভিত্তিক পূজা মণ্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকি করবেন।

৩. পূজামণ্ডপ ও আশপাশে পকেটমার, ছিনতাই ও ইভটিজিং প্রতিরোধে পুলিশের টহল ডিউটি নিয়োজিত থাকবে।

৪. দুর্গাপূজার এই সময়টাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মনিটরিং করা হবে।

৫. গুরুত্ব বিবেচনায় পূজা মণ্ডপগুলো ডগ স্কোয়াড ও বোম ডিসোপোজাল ইউনিট দিয়ে সুইপিং করানো হবে।

সপ্তম পর্বের দশভূজা লুভা নাহিদ চৌধুরী।