সুভাষ বৈদ্য, কলকাতা: সারা বছর বাঙালি অপেক্ষা করে থাকে দুর্গোৎসবে মেতে উঠতে৷ কিন্তু নবমী আসা মানের মন খারাপের দিন৷ রাত পোহালেই বিজয়া দশমী৷ পুজো শেষ৷ আবার এক বছরের অপেক্ষা৷ অনেকেই জানেন না,তিথি অনুযায়ী আজও দশমী৷ যারা রবিবার নবমী নিশি যাপন করছেন,তাদের কাছে আজ নবমী৷ বলছেন নবমী-দশমী যাই হউক, আমাদের কাছে নবমী৷

কবির ভাষা ধার করে তারা বলছেন, ‘যেও না নবমী নিশি’৷ অষ্টমীতে ম্যারাথন রাত জাগতে চাই৷ নবমীর রাত মানেই জমাটি আড্ডা,খাওয়া দাওয়া৷ যদিও এ বছর করোনা আবহে কিছুটা ম্লান পুজোর আনন্দ৷

পঞ্জিকা মতে এবার নবমী তিথি আরম্ভ হয়েছে,বাংলা তারিখ–৭ কার্তিক, ১৪২৭, শনিবার৷ আর ইংরেজি তারিখ–২৪/১০/২০২০,সময় –সকাল ১১টা ২২ মিনিট ৩০ সেকেন্ড থেকে। নবমী তিথি শেষ হয়েছে,বাংলা তারিখ–৮কার্তিক, ১৪২৭, রবিবার।আর ইংরেজি তারিখ– ২৫/১০/২০২০,সময় – সকাল ১১টা ১১ মিনিট ০৪ সেকেন্ড পর্যন্ত।

তারপরই শুরু হয়েছে দশমী তিথি৷ অর্থাৎ বাংলা তারিখ– ৮কার্তিক, ১৪২৭, রবিবার৷ আর ইংরেজি তারিখ – ২৫/১০/২০২০,সময় – সকাল ১১টা ১১ মিনিট ০৫ সেকেন্ড থেকে।

দশমী তিথি শেষ: বাংলা তারিখ – ৯কার্তিক, ১৪২৭, সোমবার।আর ইংরেজি তারিখ– ২৬/১০/২০২০,সময় – সকাল ১১টা ২৯ মিনিট ৫৭ সেকেন্ড পর্যন্ত।

যদিও রবিবারই রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় টুইট করে সকলকে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা জানিয়েছে৷ তিনি লিখেছেন,‘এই আনন্দ উৎসব অতিমারীর খারাপ প্রভাবের হাত থেকে সকলকে রক্ষা করুক৷ আমাদের সকলের জন্য নিয়ে আসুক শান্তি,সমৃদ্ধি,এবং সুখ৷’

যদিও এবার একদিকে করোনা অন্যদিকে বৃষ্টির পূর্বাভাসে পুজোর আগে থেকেই মানুষের মন খারাপ ছিল৷ শেষ পর্যন্ত চারটি দিন করোনাকে উপেক্ষা করেই অনেকে মাকে দর্শন করতে বেরিয়েছেন৷

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে মণ্ডপে ঢোকে দুর্গা মাকে দর্শন না করতে পারলেও, দূর থেকেই অনেকে মাকে দর্শন করছেন৷ প্রত্যেকের মুখে মাস্ক,হাতে স্যানিটাইজার৷ কোথাও কোথাও মন্ডপের বাইরে ভিড়ের ছবিটা দেখা গিয়েছে৷
তবে করোনা পরিস্থিতিতে এ বছর সিঁদুর খেলা ও বিজয়া দশমীতে কিছু বিধি নিষেধ রয়েছে৷ তাছাড়া এবার রেড রোডে দুর্গাপূজা কার্নিভালও হচ্ছে না৷ সে কথা আগেই ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার৷ প্রতিমা বিসর্জনেও রয়েছে গাইডলাইন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.