স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: দমদম পার্কে দিনের বেলা প্রকাশ্যে চলল গুলি৷ লেকটাউন থানার অন্তর্গত দমদম পার্কের চার নম্বর ট্যাঙ্কের কাছে দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম ঘিরে আতঙ্কে স্থানীয় বাসিন্দারা৷

শনিবার সকাল তখন ১১টা৷ হঠাৎই গুলির শব্দ৷ হতবাক পথচলতি মানুষ৷ প্রতক্ষদর্শীরা জানান, বাইকে করে দুই দুষ্কৃতী এসে গুলি ছোঁড়ে৷ তাদের লক্ষ্য ছিল এলাকায় এক নির্মীয়মাণ বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা দুই প্রোমোটার শেখর পোদ্দার ও চিরদীপ রায়৷ গুলি লাগে শেখর পোদ্দারের ডান হাতে৷

গুলিতে জখম প্রোমোটার শেখর পোদ্দারকে ভরতি করা হয়েছে বাইপাসের ধারে এক বেসকারি হাসপাতালে৷ গুলি চালিয়েই এলাকা থেকে পালিয়ে যায় দুই দুষ্কৃতী৷ ব্যক্তিগত ঝামেলা, নাকি সিন্ডিকেট ঘিরে বিবাদ, কী উদ্দেশ্যে কারা এই গুলি চালাল তার তদন্তে লেকটাউন থানার পুলিশ৷

যদিও ঘটনার পর দক্ষিণ দমদম পুরসভার চেয়ারম্যান পাচু রায়ের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছে৷ তিনি বলেন, ‘‘দমদম পার্কে বাড়ি, ফ্ল্যাট কেনা বেচায় কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়৷ এই ধরণের ঘটনা ঘটতেই পারে৷’’ তবে এদিনের দুষ্কৃতী দৌরাত্মের সঙ্গে প্রোমোটিংয়ের কোনও যোগ আছে কিনা তা স্পষ্ট করেননি তিনি৷

গুলি চালানোর ঘটনায় উঠে আসছে বাবু নায়েক নামে এক সমাজ বিরোধীর নাম৷ পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাবু নায়েক এর আগে বেশ কয়েক জন প্রোমোটারের থেকে তোলা চেয়েছিলেন৷ আড়াই মাস আগেই জেল তেকে ছাড়া পান তিনি৷

স্থানীয় বিধায়ক সুজিত বসু’র দাবি, ‘‘এই ঘটনার পিছনে রয়েছে বাবু নায়েক ও বিজেপি নেতা পিযূস কানোরিয়া৷ বাবু বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতী৷’’ যদিও তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ উড়িয়ে বিজেপি নেতা পিযূস কানোরিয়ার দাবি, ‘‘বাবু গত পুরসভা ভোটেও শাসক দলের হয়েই কাজ করেছে৷’’

দুষ্কৃতীরা কোন পথ দিয়ে পালিয়েছে তার সন্ধানে এলাকার বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷ ঘটনাস্থলে ফরেন্সিক দল৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।