ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, বারুইপুর: একদিকে বাজি ফাটানোর উপর সুপ্রিম কোর্টের রায়৷ অন্যদিকে পুলিশি ধরপাকড় এই দুই জোড়া ফলার আঘাতে কার্যত মাথায় হাত বাজি ব্যবসায়ীদের। এরফলে এবারের বাজি বাজারে যথেষ্ট মন্দা দেখা দিয়েছে বলে দাবি করছেন বিভিন্ন জেলার বাজি ব্যবসায়ীরা৷ সেই তালিকা থেকে বাদ পড়েনি দক্ষিণ ২৪ পরগণার চম্পাহাটির হাড়ালের বাজি ব্যবসায়ীরা। দীপাবলি দোরগোড়ায় হলেও বাজির বাজারে সেইভাবে কোনও ক্রেতা নেই বললেই চলে।

প্রতিবছর দীপাবলি বা কালী পুজোর এক সপ্তাহ আগে থেকেই পা রাখা যায় না চম্পাহাটির হাড়ালের এই বাজি বাজারে। কিন্তু এবারের ছবিটা ঠিক উলটো। মাত্র দু’দিন বাদে কালী পুজো হলেও এবারের বাজি বাজারে সেইভাবে কোনও ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। বাজি বিক্রেতাদের দাবি, সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট বাজি ফাটানোর জন্য মাত্র দু’ঘণ্টা সময় সীমা বেঁধে দিয়েছে। এই সামান্য সময়ে মানুষ কতটুকু বাজি উপভোগ করতে পারবেন তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। এই কারণটিকেই এবারের বাজির বাজার খারাপের অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বাজি বিক্রেতারা।

বাজি বিক্রেতা অর্জুন মণ্ডল জানান, “দু ঘণ্টার পরিবর্তে যদি অন্তত চারঘণ্টা বাজি ফাটানোর জন্য সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিত তাহলেও কিছুটা বিক্রি বাড়তো। সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের জন্যই বাজির বিক্রি অনেক কমে গিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পাশাপাশি পুলিশি ধরপাকড় এর জন্য ও বাজি বিক্রিতে মন্দা দেখা দিয়েছে। বাজি কিনে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ বাজি কেড়ে নিচ্ছে৷ ধরপাকড় করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাজি বিক্রেতারা। সেই কারনেও বাজি কিনতে আসতে মানুষ ভয় পাচ্ছেন বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। তাই বাজি কিনতে আসতে ভয় পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

মূলত আতশবাজিই বিক্রি হয় এই হাড়ালে। কিন্তু কিছু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আতশবাজির আড়ালেই বিক্রি করছেন চকলেট, দোদমা, আলু বোমের মতো শব্দবাজি। তাদের দাবি আতশবাজি সেইভাবে বিক্রি হচ্ছে না। আতশবাজির তুলনায় শব্দবাজির চাহিদা অনেক বেশি৷ তাই বাধ্য হয়েই এই শব্দবাজি বিক্রি করছেন তারা।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV