নয়াদিল্লি: সম্প্রতি যেখানে ভারতের অন্তর্দেশিয় বিমান যাত্রী সংখ্যা বাড়ছিল সেটাই এবার ধাক্কা খেল৷ দেখা গেল , পাঁচ বছরেরও বেশি সময় পরে এই এপ্রিলে দেশের ভিতরে বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াতকারী যাত্রী সংখ্যা কমে গিয়েছে। আর এমন অবস্থার জন্য জেট এয়ারওয়েজ অনেকটাই দায়ী বলে মনে করছে ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন বা আইএটিএ।

১৭ এপ্রিল থেকে জেট এয়ারওয়েজের পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছে৷ তবে তার আগে থেকেই এই বিমান সংস্থা নিয়মিত উড়ান বাতিল করছিল, যার ফলে যাত্রী সংখ্যার নিরিখে উড়ানের আসন কমে যাওয়ায় ভাড়া অনেকটাই বেড়ে যায়। আইএটিএ জানিয়েছে, ধারাবাহিক প্রতি যাত্রী কিলোমিটার (আরপিকে) পিছু আয়ের বৃদ্ধির হার দু’অঙ্কের ঘরে থাকার পর গত মাসে নেতিবাচক বৃদ্ধি হয়েছে, যা ২০১৪-র জানুয়ারির পর এই প্রথম। যাত্রী সংখ্যা পরিমাপের ক্ষেত্রে আরপিএম একটি অন্যতম ব্যবস্থা।

আরও পড়ুন : জেলা বিজেপির গাফিলতিতে দিল্লি যাওয়া হল না নিহত কর্মীর পরিবারের

আইএটিএ-র পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দীর্ঘমেয়াদী ভিত্তিতে একটানা শক্তিশালী হারে বৃদ্ধির পরে ভারতের অভ্যন্তরীণ উড়ান ক্ষেত্রে আরপিকে এপ্রিলে এক বছর আগে একই সময়কালের নিরিখে ০.৫ শতাংশ কমে গিয়েছে। পাঁচ বছরেরও বেশি সময় পরে এই প্রথম বৃদ্ধির হার ঋণাত্মক হয়েছে। জেট এয়ারওয়েজের পরিষেবা বন্ধ হওয়াই এর মূল কারণ। ভারতীয় উড়ান সংস্থাগুলির মধ্যে এয়ার ইন্ডিয়া, বিস্তার, স্পাইসজেট ও আপাতত পরিষেবা বন্ধ থাকা জেট এয়ারওয়েজ আইএটিএ-র সদস্য।

আইএটিএ-র এক বিবৃতি অনুসারে , গত পাঁচ বছরে ভারতের অভ্যন্তরীণ উড়ান ক্ষেত্রে প্রতি বছর বার্ষিক বৃদ্ধির গড় হার ছিল ২০ শতাংশের মতো। কিন্তু, জেট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিষেবা সরবরাহ ক্ষেত্রে যে ঘাটতি তৈরি হয়, তা এখনও অন্য উড়ান সংস্থাগুলি মেটাতে পারেনি। তাছাড়া বিমান ভাড়া অনেকটাই বেড়ে যাওয়ায় বহু যাত্রী উড়ানের বদলে অন্য কোনও পরিবহণ মাধ্যম বেছে নিয়েছেন৷

file- jet airways

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ