ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার,জলপাইগুড়ি: অতি সক্রিয় মৌসুমী বায়ু। যার জেরে বৃহস্পতিবার থেকে প্রবল বর্ষনে ভিজছে উওরবঙ্গ। টানা বৃষ্টির জেরে বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে তিস্তার জল। জলবন্দি অবস্থা তিস্তার পাড়ের বাসিন্দাদের।

শনিবার জলপাইগুড়ির গজলডোবা তিস্তা ব্যারেজ থেকে প্রায় তিন হাজার কিউমেক জল ছাড়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যার দরুন তিস্তা নদী সংলগ্ন অসংরক্ষিত এলাকায় লাল সংকেত এবং সংরক্ষিত এলাকায় হলুদ সংকেত জারি করেছে প্রশাসন।।

শুক্রবার থেকেই জলপাইগুড়িতে শুরু হয়েছে লাগাতার মুষলধারা বৃষ্টি। যারফলে একদিকে বৃষ্টির জল আর অন্যদিকে তিস্তার জল ঢুকে জলমগ্ন অবস্থা জলপাইগুড়ির তিস্তা লাগোয়া খড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর সুকান্ত নগর কলোণী ও দক্ষিন সুকান্ত নগর কলোনীর একাংশ।

আর এতে বেজায় সমস্যায় পড়েছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দা সিতানাথ বর্মন বলেন, “আমরা এই এলাকার বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও এই এলাকায় কোনও উন্নয়ন মূলক কাজ হচ্ছে না। এলাকার মানুষের নদী পারাপারের জন্য স্থানীয় পঞ্চায়েত থেকে দুটি বাঁশের সাঁকো দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বর্ষার মরশুম শুরু হয়ে গেলেও সেই সাঁকো এখনও পর‍্যন্ত তৈরিই হল না।”

এদিকে টানা বৃষ্টির ফলে জল ঢুকেছে জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের নন্দনপুর বোয়ালমারি গ্রাম পঞ্চায়েতের তিস্তার পার সংলগ্ন এলাকাতেও। যদিও বন্যার আশঙ্কায় শনিবার সদর ব্লকের জয়েন বিডিও ও বিডিও অফিসের আধিকারিকরা স্থানীয় প্রধান এবং পঞ্চায়েত সদস্যদের নিয়ে ওই এলাকার সাধারণ মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যান। ত্রিপল, চিঁড়ে, গুড় সহ শুকনো খাবার তুলে দেওয়া হয় তাঁদের হাতে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ