স্টাফ রিপোর্টার,বালুরঘাট: গত কয়েক দিনের প্রবল বর্ষণে অন্যান্য নদী গুলির পাশাপাশি বেড়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরের আত্রেয়ী টাঙ্গন ও পুনর্ভবার নদীরও জল। পুনর্ভবা বিপদসীমা এবং টাঙ্গন অতিবিপদ সীমার উপর দিয়ে বইলেও বালুরঘাটে আত্রেয়ীর জল ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। টাউনের জল বেড়ে যাওয়ায় বংশীহারী এলাকার মহাগ্রাম হলদি ও উত্তর লক্ষীপুর এবং বুনিয়াদপুর পৌরসভার কয়েকটি এলাকার লোকালয়ে জল ঢুকে পড়েছে।

পাশাপাশি পুনর্ভবা ও আত্রেয়ী নদীর জলও আশপাশের নিচু এলাকায় প্রবেশ করেছে। বালুরঘাটে আত্রেয়ী-কলোনী ডাঙ্গির কলাইবাড়ি এলাকা বেশ কয়েকটি বাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। পরিবারগুলি বাড়িঘর ছেড়ে বাঁধের উপর আশ্রয় নিয়েছে। ছেলেপুলে নিয়ে সকলে কষ্টের মধ্যেই দিন কাটাচ্ছেন। কেউ বা প্লাস্টিকের ত্রিপল টাঙিয়ে। কেউ আবার অন্যের বারান্দায় আস্থানা নিয়েছেন।

মঙ্গলবার সকালের রিপোর্ট অনুযায়ী, টাঙ্গন পুনর্ভবা ও আত্রেয়ীর জল গত রাতে সেভাবে আর না ফুললেও আত্রেয়ী বাদে বাকি দুইটিরই জলস্তর যথাক্রমে অতি বিপদসীমা এবং প্রাথমিক বিপদসীমার উপর দিয়েই বয়ে চলেছে। ফলে দক্ষিণ দিনাজপুরের বিশেষ করে বংশীহারি গঙ্গারামপুর তপন এলাকায় বন্যার আশঙ্কা করছেন বাদিন্দারা।

তবে জল বেড়ে জেলার দুই মহকুমার কোথাও বাঁধ ভেঙে যাওয়ার ঘটনা ঘটেনি। যে কোনও রকম পরিস্থিতির মোকাবিলায় সেচ দফতর তথা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে। সেচ দফতরের নির্বাহী বাস্তুকার স্বপন কুমার বিশ্বাস জানিয়েছেন আত্রেয়ীর জল বিপদ সীমার অনেক নিচেই রয়েছে।

অন্যদিকে পুনর্ভবার জল প্রাথমিক বিপদসীমা উপরে উঠে এখন কমতে শুরু করেছে। টাঙ্গন নদীর জল কমতে শুরু করলেও তা এখনও অতিবিপদ সীমার উপরেই রয়েছে।

তিনি একথাও জানিয়েছেন যে তিনটি নদীরই কোথাও বাঁধ ভাঙার রিপোর্ট নেই। সেরকম কিছু নজরে আসা মাত্রই তা প্রতিরোধ করতে সেচ দফতর সবরকম ভাবে প্রস্তুত বলেও নির্বাহী বাস্তুকার জানিয়েছেন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ