স্টাফ রিপোর্টার,কোচবিহার:  পারিবারিক বিবাদের জেরে নিজের ৬ বছরের সন্তানকে খুন করল বাবা৷ নৃশংস এই ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের পুন্ডিবাড়ি থানার উত্তর কালজানি গ্রামে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। খুন করার পর সেই ব্যক্তি নিজেই পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন৷

পুলিশ সূত্রে খবর, শ্বাসরোধ করে ওই ব্যক্তি নিজের ছেলেকে খুন করে৷ ২৮ বছর বয়সী কার্তিক বর্মনের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী রেখা বর্মনের সাংসারিক অশান্তি চলছিল। বুধবার তাঁদের ৬ বছরের ছেলে সঞ্জয় বর্মনের জ্বর থাকায় তাঁকে পাশেই নিজের বাপের বাড়িতে রেখে পরিচারিকার কাজে বেড়িয়ে যান রেখা। এর পরে বেলা দুটো নাগাদ কার্তিক বর্মন এসে সঞ্জয়কে তাঁর শ্বশুর বাড়িতে নিয়ে যায়।

অভিযোগ এর পর বিকেল চারটা নাগাদ ছেলেকে গলায় গামছা দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করেন কার্তিক৷ শিশুটিকে বাড়ির খাটের নিচে রেখে দেয়। রাতে ৯ টা নাগাদ আলিপুরদুয়ার থানায় গিয়ে আত্মসমর্পন করে কার্তিক বর্মন। এর পরে বিষয়টি রেখা বর্মনকে ফোনে জানানো হয় আলিপুরদুয়ার থানার পক্ষ থেকে।

কার্তিককে আটক করে পুন্ডিবাড়ি থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। কার্তিক বর্মনকে গ্রেফতার করে পুন্ডিবাড়ি থানার পুলিশ। এদিন তাকে কোচবিহার জেলা আদালতে তোলা হয়।

আরও পড়ুন: স্বামীহারা বধূর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে উঠছে হাজারো প্রশ্ন

আদালতে তোলার পথে অভিযুক্ত কার্তিক বর্মন দাবি করেন তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে অন্য পুরুষের সম্পর্ক থাকায় স্ত্রীর উপর রাগ থেকেই এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। এদিকে মৃত শিশুটির মামা কার্তিক পালের দাবি তাঁর বোনের পরিচারিকার কাজ করা নিয়ে অশান্তি করত জামাইবাবু৷ তাঁর আরও দাবি তাঁর জামাইবাবু কোন কাজ করতেন না৷ এমনকী মদ্যপ অবস্থায় তাঁর বোনকে মারধরও করতেন৷
প্রায় প্রতিদিনই এই ঘটনা চলত বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন৷ ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কি কারনে এই খুন তা জানার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।