প্রদ্যুত দাস, জলপাইগুড়ি: করোনাভাইরাসের ধাক্কায় থেমে গিয়েছে বিশ্বের চাকার গতি। লকডাউনের গোটা বিশ্ব। এদেশেও পড়েছে মারণ ভাইরাসের কোপ। যার কারণে, ঘর থেকে বের হতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। তালাবন্দি ভারতও।

লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বেরোনোর ব্যাপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে কেন্দ্র এবং রাজ্য প্রশাসনের তরফে।

এদিকে রাজ্য ছাড়িয়ে ক্রমশ জেলাগুলিতে থাবা বসাচ্ছে মারণ করোনা। এই অবস্থায় উত্তরবঙ্গে ১ করোনা আক্রান্তের মৃত্যুর পর আরও সতর্ক জেলা প্রশাসনগুলি।

জলপাইগুড়ির সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করোনা সন্দেহজনক রোগীদের দেখভালের বিষয়েও নজরদাড়ি আরও কয়েকগুণ বাড়িয়েছে জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন।

শুধু তাই নয়,তড়িৎ গতিতে তৈরি করা হচ্ছে একাধিক কোয়ারেন্টাইনসেন্টারও। জলপাইগুড়ির বিশ্ববাংলা ক্রীড়াঙ্গনের পাশাপাশি সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালকেও করোনার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

করোনা সংক্রমণ রুখতে সোমবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী জানান, এবার জেলাগুলি এবং সদর শহরের সমস্ত সরকারি বেসরকারি বা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল গুলিতে কোয়ারেন্টাইন এবং আইসোলেশন ওর্য়াড গড়ে তোলা হবে।

এদিকে, নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর জন্য বাজার খোলা থাকায় বাজারে ভিড় করছেন বহুমানুষ। এরফলে সংক্রমণের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। ফলে ভিড় যাতে খুব বেশি না বাড়ে এবং সাধারণ মানুষ যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কেনাকাটা করেন সেই দিকে কড়া নজর রাখছে জেলার পুলিশ- প্রশাসন। শুধু তাই নয়,ধারাবাহিক এই লকডাউনের কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন দিন আনা দিন খাওয়া মানুষেরা। তাদের কথা ভেবে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে হাজির বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন থেকে পুলিশ প্রশাসন, পুরসভা ও জনপ্রতিনিধিরা।চাল,ডাল,আলু,তেল সহ বিভিন্ন সামগ্রী তুলে দেওয়া হচ্ছে তাদের হাতে। এগিয়ে এসেছে বিভিন্ন ক্লাব সংগঠন গুলিও।

জলপাইগুড়ি জেলার কোতোয়ালি থানার পক্ষ থেকে প্রতিদিন শতাধিক মানুষকে খাবার ও বয়স্কদের জন্য ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।জলপাইগুড়ি পুরসভার পক্ষ থেকেও বিভিন্ন ওর্য়াডে ওর্য়াডে সংক্রমণ মোকাবিলায় স্যানিটাইজেশন এবং দরিদ্র ভবঘুরেদের মধ্যোও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব