স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা:  তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরলে রাজ্যবাসীর বাড়ির দরজায় রেশন পৌঁছে দেবে তাঁর সরকার৷ বিধানসভা ভোটের আগে এমনই ঘোষণা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইস্তাহারেও সে কথা জানিয়েছিল তৃণমূল। এবার ক্ষমতায় ফিরেই প্রতিশ্রুিতি পূরণে উদ্যোগী মমতার সরকার।  মঙ্গলবার খাদ্যভবনে এক বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, শুক্রবার পাইলট প্রজেক্ট (Pilot Project) হিসেবে শুরু হচ্ছে দুয়ারে রেশনের কাজ। আপাতত প্রতিটি জেলায় একটি করে রেশন দোকানের মাধ্যমে এই পরিষেবা শুরু হতে চলেছে৷

আরও পড়ুন: আত্মনির্ভর কলকাতা, অভাব মেটাতে সাধারণ নাগরিকরা গড়ে তুললেন ‘অক্সিজোন’

এ দিনই ‘দুয়ারে রেশন’ প্রকল্প নিয়ে রাজ্য়ের খাদ্য দফতরের সচিবের সঙ্গে ফুড কমিশনারের বৈঠক হয়৷ সেই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয়েছে, রাজ্যের মোট ২৮ টি রেশন দোকান থেকে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হবে রেশন সামগ্রী। কতটা সাফল্য মিলল, তা নিয়ে সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা হবে। এছাড়া, এই প্রকল্পের জন্য প্রতি কুইন্টালে ২০০ টাকা করে কমিশন দেবে রেশন ডিলারদের৷ প্রথম ১৫ দিন রেশন দোকান থেকেই এই প্রকল্পের জন্য় জিনিস নিয়ে সরবরাহ করবেন রেশন ডিলাররা৷ প্য়াকেজিং বাবদও আলাদা খরচ দেবে রাজ্য়৷

আরও পড়ুন: ‘চার নেতার গ্রেফতারি মানা যাচ্ছে না’, ক্ষোভে বিজেপি ছাড়লেন ফুটবলার দীপেন্দু

প্রসঙ্গত, খাদ্যমন্ত্রী হিসেবে সদ্য দায়িত্ব নিয়েছেন রথীন ঘোষ। তিনি জানিয়েছেন, দুয়ারে রেশন মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প। যত দ্রুত সম্ভব দুয়ারে রেশন প্রকল্প চালু করা হবে। এই নিয়ে অফিসারদের সঙ্গে শীঘ্রই আলোচনায় বসবেন তিনি। এদিন বৈঠকে ছিলেন অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপস ডিলার ফেডারেশনের (AIFPSF) সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু৷ তিনি জানান, দুয়ারে রেশন পৌঁছে দিতে গেলে গাড়ি লাগবে। সেই জন্য বাড়তি লোক নিয়োগ করতে হবে। রেশন ডিলারদের কমিশন বাড়াতে হবে। এখন কাউকে রেশন দেওয়ার আগে ‘পস’ বা পয়েন্ট অফ সেল যন্ত্রে আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়। দুয়ারে রেশনের সময়ে সেই কাজটাই বা কী ভাবে হবে, তা নিয়ে রেশন ডিলাররা চিন্তিত। এরকম বেশ কয়েকটি প্রস্তাব তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীকে দিয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.