নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: হোলির সপ্তাহে এবার কড়া ব্যবস্থা নিতে চলেছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়। কোন রকম আপত্তিকর ঘটনা এড়াতে কঠোর নজরদারি রাখার কথা ভাবা হয়েছে।

বাস বা মেট্রোর মত পাবলিক সার্ভিসে মহিলাদের হেনস্থার বিষয়ে নজর দিতে দিল্লি ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন (ডিটিসি) ও মেট্রো কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়। জল রঙ, পিচকারী, বেলুন নিয়ে উগ্রভাবে পরুয়ারা যেন হোলি না খেলে সেই বিষয়েও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের অনুরোধ জানিয়েছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়।

উৎসবের সময় পড়ুয়াদের অভিযোগের বিষয়ে নজর দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তর থেকে দক্ষিণের ক্যাম্পাসে কন্ট্রোল রুম বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই কন্ট্রোল রুমগুলি নিয়ন্ত্রণ করবে দিল্লি পুলিশ ও ডিটিসি কর্তৃপক্ষ। ২১ শে মার্চ হোলির দিন কোন পড়ুয়া যদি হেনস্থার শিকার হন, সেক্ষেত্রে অ্যানটি র‍্যাগিং ও অ্যানটি ইভটিসিং-এর খাতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে, জানা গেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপদেষ্টা কমিটির সূত্রে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ, বিভাগীয় প্রধান, হল ও হস্টেলের দায়িত্ব প্রাপ্ত, শিক্ষক-ছাত্র ও কর্মচারীদের কমিটিকে কলেজ ও হস্টেলে বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার বিষয়ে নজর দিতে বলা হয়েছে। ” আগত ছাত্র ও দর্শনার্থী পরিচয়পত্র দেখতে নিরাপত্তারক্ষীদের গেটের বাইরে নির্দিষ্ট স্থানে থাকতে হবে। “

উত্তর ও দক্ষিণ ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনার মোকাবিলায় নজর দেবেন।
” উৎসবের দিনগুলোতে কলেজ/ডিপার্টমেন্ট /সেন্টার/হল/হোস্টেলে প্রবেশের সময় পরিচয় পত্র দেখিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। ” জানিয়েছে উপদেষ্টা বিভাগ। যদি তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের বাইরে যেতে হয়, তাহলে একজন বয়স্ক ব্যক্তিকে তাদের অনুপস্থিতিতে উপস্থিত হতে হবে।

ডিটিসি-র ড্রাইভারদের নিকটস্থ পুলিশ স্টেশনে বাস রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই দিন হোস্টেলে এবং হলের অতিথিদের প্রবেশের উপর বিশেষ নজরদারীর ব্যবস্থা করা হবে যাতে অবাঞ্ছিত বহিরাগতদের প্রবেশ রোধ করা যায় ।পুলিশের পূর্ণ সহযোগিতার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে, যে কোন আইনি সহায়তা এবং ইভটিজিং-এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। কলেজের আশপাশের জায়গাগুলিতে পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। টহলদারি জোরদার করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছে বিভিন্ন কলেজে যাওয়ার সময় বা টহলদারির সময় ইউনিফর্মের বদলে সাধারণ পোষাকে যেতে।