কলকাতা: ভোটের মুখে কলকাতায় উদ্ধার ১৭ কোটি ৫০ লক্ষ টাকার মাদক৷ একজন মহিলা সহ ৫ জন মাদক পাচারকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷

লালবাজার জানিয়েছে,গোপন সূত্রে খবর কাশিপুর থানা এলাকায় হানা দেয় কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের( Special Task Force) অফিসারেরা৷ দুটি গাড়িকে আটক করে চলে তল্লাশি গাড়িগুলি থেকে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদক।

উদ্ধার হয়েছে ২ কেজি হেরোইন এবং ১ লক্ষ ৫০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট যার ওজন ১৭ কেজি। উদ্ধার হওয়া হেরোইনের মূল্য আন্তর্জাতিক বাজারে ১০ কোটি টাকা এবং ইয়াবা ট্যাবলেটের মূল্য ৭ কোটি ৫০ লক্ষ। মোট সাড়ে ১৭ কোটি টাকার মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে দাবি পুলিশের৷

মাদক পাচারের অভিযোগে পুলিশ এক মহিলা সহ মোট ৫ জন মাদক পাচারকারীকে গ্রেফতার করেছে। এদের মধ্যে পিয়ারুল ইসলাম ও সাদিকুল শেখ মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা, কার্তিক নাইডু ও রাকেশ থাপা মণিপুরের বাসিন্দা এবং প্রভাতী দেবী আসামের বাসিন্দা৷

কয়েকমাস আগেও কলকাতায় আড়াই কোটি টাকার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার হয়েছিল৷ কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই মাদক পাচারকারীকে গ্রেফতার করেছিল৷

পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়েছিল মুর্শিদাবাদ থেকে দুই মাদক পাচারকারী কলকাতায় আসছে। প্রস্তুত ছিল পুলিশ৷ পশ্চিম বন্দর থানা এলাকার নিমক মহল রোড থেকে দুই পাচারকারীর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় প্রচুর ইয়াবা ট্যাবলেট৷

ওই দুই পাচারকারীর কাছ থেকে ৫০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়৷ এই ইয়াবা ট্যাবলেটের ওজন ৫ কেজি ৪৫৬ গ্রাম। আন্তর্জাতিক বাজারে এই ট্যাবলেটের দাম প্রায় আড়াই কোটি টাকা৷

ধৃত দুই পাচারকারীর নাম ছিল ফারুখ শেখ ও ইসমাইল শেখ। ২৯ বছরের ফারুখের বাড়ি মুর্শিদাবাদের সুতি থানার ফতেপুর গ্রামে। ৪০ বছরের ইসমাইলের বাড়ি সুতি থানারই খানপুর গ্রামে।

কি এই ইয়াবা ট্যাবলেট?

এসটিএফের এক কর্তা জানান, এই ইয়াবা ট্যাবলেট ‘ক্রেজি ড্রাগস হিসেবেও পরিচিত। ইয়াবা’ নামে ওই ড্রাগের বাংলাদেশে প্রবল চাহিদা আছে বলে জানা যায়। এতে Mathamphetamine ও caffeine থাকে। এটিকে ‘ম্যাডনেস ড্রাগও’ বলা হয়। এগুলি আকারে ছোট দানার মত হওয়ায় সহজেই পাচার করা সম্ভব।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।