ঢাকা: কন্ডোমের ভিতর মিলল ড্রাগ৷ এক তরুণীর দেহের নিম্নাংশের বিশেষ অংশে কন্ডোমের ভিতর মিলল ইয়াবা ড্রাগ৷ ঘটনাটি বাংলাদেশের৷ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে৷ মায়ানমার সীমান্ত লাগোয়া বাংলাদেশের বন্দর শহর চট্টগ্রাম থেকে মেইল ট্রেনে করে ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনে আসে বছর আঠাশের ওই তরুণী৷

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহিলা পুলিশের সদস্যরা তাকে আটক করে৷ শৌচাগারে নিয়ে গিয়ে তরুণীর দেহ তল্লাশি করে সাতশ’টি ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া গেছে৷ সে চট্টগ্রামের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করে বলে পুলিশের কাছে দাবি করেছে। মাত্র ২০০০ টাকার বিনিময়ে এক ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছিল বলে জেরায় জানিয়েছে ওই তরুণী৷ তাকে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে৷

ইয়াবা মূলত মেথঅ্যাম্ফিটামিন ও ক্যাফেইন এর মিশ্রন। কখনো কখনো এর সাথে হেরোইন মেশানো হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটি ট্যাবলেট হিসাবে সেবন করা হয়, তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ধাতব ফয়েলে পুড়িয়ে ধোঁয়া হিসাবেও এটিকে সেবন করা হয়ে থাকে। এই মাদকটি থাইল্যান্ডে বেশ জনপ্রিয়৷ বার্মা থেকে এটি চোরাচালান করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ পৃথিবীর অনেক দেশেই এই মাদকের বিস্তার ঘটেছে।বাংলাদেশে ইয়াবার আবির্ভাব ঘটে ১৯৯৭ সালে। পরবর্তীতে ২০০০ সাল থেকে বাংলাদেশের কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে মায়ানমার থেকে ইয়াবা আসতে শুরু করে। এই ট্যাবলেটের দাম তুলনামূলকভাবে বেশি হবার কারণে উচ্চবিত্তদের মাঝেই এটি মূলত: বিস্তার লাভ করে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.