ওয়াশিংটন: বিশ্বজুড়ে করোনা ছোবলে মৃতের সংখ্যা ২ লক্ষ ৩৯ হাজারের অধিক। শুধু আমেরিকাতেই মারা গিয়েছেন ৬৫ হাজারের বেশি। এই পরিস্থিতি তে আরও এক মারণ ভাইরাস ইবেলার প্রতিষেধক ব্যবহার করতে উদ্যোগী মার্কিন সরকার।

সিএনএন জানাচ্ছে, জরুরি প্রয়োজনে করোনা রোগীদের রেমডেসিভির ওষুধ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্য ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন।

এই ওষুধ মূলত ইবোলা ভাইরাসের প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর আগে করোনাভাইরাস রোগীদের দেহে ওষুধটি পরীক্ষামূলক ব্যবহারে ইতিবাচক ফল মিলেছে। আমেরিকায় সর্বাধিক করোনা হামলা ও মৃত্যুর মিছিল ঠেকাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ওষুধটি প্রয়োগের অনুমতি দেন।

কয়েকবছর আগে ভয়াবহ আতঙ্কের নাম ছিলো ইবোলা। মূলত পশ্চিম আফ্রিকায় ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাস থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় লাইবেরিয়া। সাড়ে ৬ হাজার জন ইবোলায় সংক্রমিত হন। মারা যান ৩ হাজারেরও বেশি। এছাড়াও আফ্রিকারই একের পর এক দেশ ইবোলা ভাইরাস হামলার শিকার হয়েছিল।

তবে করোনা যেমন চিন থেকে ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে, তেমন বিস্তার হয়নি ইবোলার। মূলত পশ্চিম আফ্রকাতেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু সেখানকার বিভিন্ন দেশে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী বাহিনির সেনাদের অনেকেই ইবোলা সংক্রামিত হন। তারপরেই আমেরিকায়
রেমডেসিভির প্রয়োগ হয়েছে। সেই ওষুধই এবার করোনাকে রুখতে ফের ব্যবহার করা হচ্ছে।

এর আগে মার্কিন বিজ্ঞানীরা রেমডেসিভির প্রতিষেধকটি কার্যকারিতার বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জানিয়েছিলেন। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে এই ওষুধের কার্যকারিতার প্রমাণ হয়। করোনায় একেবারে আশঙ্কাজনক রোগীদের দেহে রেমডেসিভির ব্যবহৃত রয়েছে সফলভাবেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।