স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: যৌথভাবে অপারেশন চালিয়ে শিলিগুড়ি থেকে প্রচুর মাদক উদ্ধার করল নারকোটিক্স কন্ট্রোল ও এসএসবি। বৃহস্পতিবার রাতে শিলিগুড়ি থেকে এই মাদক পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তিকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। প্রায় ৮০০০ ট্যাবলেট উদ্ধার হয়েছে বলে খবর।

এদিন যৌথ অভিযান চালানোর সময় শিলিগুড়ি টাউনের দক্ষিণ ভরত নগরের কাছ থেকে হরি চৌধুরী নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। ওই বিপুল পরিমাণ ড্রাগ কলকাতায় পাঠানোর চেষ্টা করছিল ওই ব্যক্তি। সেইসময় তাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই ট্যাবলেটগুলি আসলে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা চলছিল বলে পুলিশ সূত্রের খবর। প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার ড্রাগ ছিল ওই ব্যক্তির কাছে। শুক্রবার ওই ব্যক্তিকে আদালতে তোলা হবে।

‘ইয়াবা’ নামে ওই ড্রাগের বাংলাদেশে প্রবল চাহিদা আছে বলে জানা যায়। এতে Mathamphetamine ও caffeine থাকে। এটিকে ম্যাডনেস ড্রাগও বলা হয়। এগুলি আকারে ছোট দানার মত হওয়ায় সহজেই পাচার করা সম্ভব।

বেশ কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে এই ড্রাগের ব্যবহার বেড়েছে। এগুলি মূলত মায়ানমার থেকে আনা হয়। উত্তর-পূর্ব অর্থাৎ অসম, মনিপুর হয়ে ভারতে ঢোকে এগুলি। তারপর কলকাতা হয়ে যায় বাংলাদেশে। এর আগেও একাধিকবার এই ধরনের পাচারচক্রের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। বাংলাদেশে এই ড্রাগগুলিকে ‘পিল’, ‘লাল’, বাবা’, ‘চাক্কা’, ‘গুটি’ বা ‘বড়ি’ হিসেবেও ডাকা হয়।

২০১৬ তে ৩৫৯ জন রোহিঙ্গাকে এই ইয়াবা পাচারের দায়ে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।