কলকাতা: খেতে খেতে শরীরচর্চা করতে কাউকে দেখেছেন? ওজন কম করতে আমরা খাওয়া-দাওয়া কমিয়ে ফেলি। তবে স্বাস্থ্যকর খাওয়ার কোনো বিকল্প তো নেই। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্যকর পানীয়ও রাখতে হবে ডায়েটে। এতক্ষণে বুঝেই গেছেন যে কফির কথা বলছি। কিন্তু ভাবছেন কফি আবার কী করে শরীরচর্চায় জুড়লো?

নতুন গবেষণা এমনটাই বিধান দিচ্ছে। শরীরে জমে থাকা বাড়তি মেদ বাদ দেওয়ার পদ্ধতিকে আর একটু তাড়াতাড়ি করে আনতেই দরকার এক কাপ কড়া কফি। কফি যে শুধুই সারাদিনের কাজের জন্যে এনার্জি দেয় তা নয়, এবার থেকে এক্সারসাইজ করার আগে পান করে ফেলুন এক কাপ গরম কফির পেয়ালা।

গবেষকদের দাবি এক্সারসাইজের আগে ৩ মিলিগ্রাম/ প্রতি কিলোগ্রাম ক্যাফেইন হল একটি কড়া কফির সমতুল্য। আর এই কফিই এক্সারসাইজ করার আগে পান করলে মেদ কম হবে বলে জোর দিচ্ছেন গবেষকরাই। আবার সেই কফিপানের একটি নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়েছে তারা। তাদের মতে, দুপুরবেলায় কফিপান এবং তার পরেই এক্সারসাইজ করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। এই পন্থা যতটা তাড়াতাড়ি ফল দেবে তার থেকে সকালে কফি পান করে তারপর এক্সারসাইজ করাটাও ততটা কার্যকর নয় বলেই মত এই গবেষক দলটির।

আরো পোস্ট- উন্নতির পথে বাধা ৪টি কাজে! বিপদ ডেকে আনবেন না

তবে সেই শরীরচর্চা যদি হয় অ্যারোবিক তাহলে তা শুরু করার ঠিক ৩০ মিনিট আগে পান করে নিন কফি। এতে কফিতে যে পরিমাণ ক্যাফেইন থাকে তা শরীরে প্রবেশ করার পর কাজ শুরু করে দিতে পারে। এক্সারসাইজ করার সময়ে মেদ গলিয়ে দেওয়ার মাত্রা সর্বাধিক করে দিতে পারে এই বিদেশী পানীয়টি।

একটা জিনিস লক্ষ্যণীয় যে যারা খেলাধুলা করেন তারাও কিন্তু খেলার আগে কফি পান করেন। কারণ তারাও এটা মানেন যে শারীরিক পরিশ্রমের আগে তা পান করলে পরিশ্রমের সময় সেই ক্যাফেইন আমাদের শরীরে বেশি ভালো ফল দেয় ফ্যাট বা চর্বি বার্ন করতে।

গড় বয়স ৩২ এরকম কয়েকজন পুরুষের উপর করা একটি বিশেষ সমীক্ষায় এক্সারসাইজ করার আগে এঁরা প্রত্যেকেই ক্যাফেইন পান করতেন। সকাল আটটা থেকে বিকেল পাঁচটার মধ্যে সাত দিনের জন্যে দিনে ৪ বার শরীরচর্চা করতেন। এর থেকে জানা গিয়েছে যে দুপুরে যারা শরীরচর্চা করার আগে কফি পান করেছেন তাদের মেদ তাড়াতাড়ি গলেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.