গ্রীষ্মকালে কোল্ড ড্রিঙ্কস বা সোডা বেশি মাত্রায় পান করার প্রবনতা দেখা যায় আমাদের সকলের মধ্যে। কিন্তু শরীরে অতিরিক্ত পরিমাণে সোডা বা কোল্ড ড্রিঙ্কস কমিয়ে দিতে পারে আমাদের প্রজনন ক্ষমতা। কেবল সোডা নয় যেকোন ধরণের কৃত্রিম শর্করা জাতীয় পদার্থ আমাদের শরীরে নানা ক্ষতি করে থাকে। আর এই সব কৃত্রিম শর্করাই ব্যবহৃত হয়ে থাকে কোল্ড ড্রিঙ্কসে চিনির পরিবর্তে। এছাড়াও কোল্ড ড্রিঙ্কস বা সোডায় থাকে বিষাক্ত রাসায়নিক। যা আমাদের শরীরে অতি মাত্রায় প্রবেশের ফলে শারীরিক সমস্যা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিতে পারে।

সম্প্রতি একটি গবেষণায় জানা গেছে, অতিরিক্ত পরিমান সোডা বা কোল্ড ড্রিঙ্কস পান আমাদের প্রজনন ক্ষমতার উপর প্রভাব ফেলে। পুরুষ এবং মহিলা দুজনেই হারিয়ে ফেলতে পারে তাদের প্রজনন ক্ষমতা। তাই যে সকল দম্পতি ভবিষ্যতে সন্তান পরিকল্পনা করছেন তারা অবিলম্বে এই ধরণের পানীয় থেকে দূরে থাকুন, এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

কোল্ড ড্রিঙ্কস বা সোডা জাতীয় পানীয় খুবই পছন্দ করি আমরা সবাই। অনুষ্ঠান বাড়ি থেকে শুরু করে রবিবারের মেনু সব জায়গাতেই থাকে এই ধরনেই পানীয়। এছাড়া গরমকালে আরও বেড়ে যায় কোল্ড ড্রিঙ্কসের চাহিদা। তাই বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, দীর্ঘ দিন ধরে এই পানীয় বেশি মাত্রায় গ্রহনের ফলে পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতায় প্রভাব ফেলে। তাদের শুক্রাণুর সংখ্যা কমিয়ে দেয়। শুক্রাণু নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। সোডার মধ্যে রয়েছে অ্যাসপার্টেম, যা পুরুষদের শরীরে থাকা এন্ডোক্রিন গ্লান্ডে প্রভাব ফেলে তাদের শরীরে হরমোনের ভারসাম্যে বিঘ্ন ঘটায়। মহিলাদের ক্ষেত্রেও একই জিনিস লক্ষ্য করা গেছে। যে সব মহিলারা নিজেদের প্রজনন সমস্যার জন্যে চিকিৎসকের দারস্ত হয়েছেন তাদের অধিকাংশই দীর্ঘ দিন ধরে সোডা বা কোল্ড ড্রিঙ্কস পান করে আসছেন।

সোডা বা কোল্ড ড্রিঙ্কস শুধুমাত্র প্রজনন ক্ষমতায় প্রভাব ফেলে তাই নয় আমাদের ওজন ভীষণ ভাবে বৃদ্ধি ঘটায়। এছাড়া চিকিৎসকরা হৃৎপিণ্ড জনিত সমস্যার ক্ষেত্রেও কিছুটা দায়ি করেছেন এই ধরণের পানীয়কে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.