নয়াদিল্লি: ডিআরডিও(DRDO) দ্বারা প্রস্তুত করা করোনার ওষুধ ২-ডিজি (2-DG) অনুমোদন আগেই পেয়েছিল। এবার কোভিড -১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে ১০,০০০ ডোজের প্রথম ব্যাচটি পরের সপ্তাহে রোগীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে। শুক্রবার ডিআরডিও কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। কতৃপক্ষ জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে ওষুধের অধিক ব্যবহারের জন্য নির্মাতারা ওষুধের উৎপাদন ইতিমধ্যেই বাড়িয়ে দিয়েছেন। এই জীবনদায়ী ওষুধটি অনন্ত নারায়ণ ভট্ট সহ ডিআরডিও বিজ্ঞানীদের একটি দল তৈরি করেছে।

শুক্রবার কর্ণাটকের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে সুধাকর ডিআরডিও ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছেন। সেখানে বিজ্ঞানীরা তাকে 2-ডিজি ড্রাগ সম্পর্কে জানান। বিজ্ঞানীরা বলেন কোভিড -১৯ যুদ্ধে গেম-চেঞ্জার হতে পারে এই ওষুধটি। ডাঃ কে সুধাকর বিজ্ঞানীদের মহামারীকে রুখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা অনুসন্ধানের আহ্বান জনিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ভারতের ড্র্যাগ কন্ট্রোলার অফ ইন্ডিয়া (DCGI) ৮ মে ডিআরডিও দ্বারা নির্মিত অ্যান্টি-কোভিড ড্রাগের জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। এই ওষুধটি মধ্যম ও গুরুতর লক্ষণযুক্ত রোগীদের চিকিত্সার ক্ষেত্রে ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। DCGI জানিয়েছিল, হাসপাতালে ভর্তি করোনা আক্রান্তদের ওপর ট্রায়ালে দারুণ কাজ করেছে এই ২-ডিজি। এটি করোনা রোগীদের অক্সিজেনের উপর নির্ভরতা কমাতে সক্ষম। এই ওষুধ ব্যবহারের পর অনেক আক্রান্ত রোগীর রিপোর্ট দ্রুত পজিটিভ এসেছে। সফল ট্রায়ালের পরেই ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

২-ডিজি ওষুধটি একটি প্যাকেটে গুঁড়ো আকারে আসে, এটি জলে মিশিয়ে নিয়ে খেতে হয়। গত বছরের গোড়ার দিকে মহামারী শুরু হওয়ার পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান। যার পরে ডিআরডিও প্রকল্পটির উপর কাজ শুরু করে। গত বছরের মে এবং অক্টোবরের মধ্যে পরীক্ষার দ্বিতীয় ধাপে, ওষুধটি COVID-19 রোগীদের মধ্যে নিরাপদ বলে প্রমাণিত হয়েছিল। খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেছিল। দ্বিতীয় রাউন্ডে ১১০ জন রোগীর উপর পরীক্ষা করা হয়েছিল। ছয়টি হাসপাতালে তৃতীয় রাউন্ডের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

২-ডিজি ওষুধটি হায়দরাবাদ ভিত্তিক ডাঃ রেড্ডি ল্যাবরেটরিজ (DRL) এবং ডিফেন্স এন্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের(DRDO) সহযোগিতায় ইনস্টিটিউট অফ নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যালাইড সায়েন্স (আইএনএমএএস) দ্বারা ২-ডিওক্সি-ডি-গ্লুকোজ(2-deoxy-D-glucose) ওষুধটি তৈরী হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.