নয়াদিল্লি: পরপর তিনটি মিসাইল টেস্ট করল ডিআরডিও। তিনটি মিসাইলই টার্গেটে পৌঁছে গিয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই এই মিসাইল সেনাবাহিনীতে মোতায়েন করা হবে বলে জানা গিয়েছে। তার আগে পোখরানে টেস্ট ফায়ার করা হল সেইসব মিসাইল।

ডিআরডিও-র তরফ থেকে জানানো হয়েছে, রবিবার তিনটি মিসাইল টেস্ট হয়েছে, সবকটিই সফল। দিনে এবং রাতে এই পরীক্ষা করা হয়েছে।৫২৪ কোটি খরচে এই নাগ মিসাইল তৈরি করছে ডিআরডিও। গত বছর Defence Acquisition Council এই মিসাইলের প্রজেক্টে অনুমোদন দেয়। এই সিস্টেমের মধ্যে থাকছে অ্যান্টি ট্যাংক গাইডেড মিসাইল NAG এবং মিসাইল কেরিয়ার ভেইকল অর্থাৎ যাতে করে সেই মিসাইল বহন করা হবে। দিনে হোক বা রাতে এই মিসাইল সহজেই শত্রুপক্ষের ট্যাংক ধ্বংস করতে পারবে।

স্বাভাবিকভাবেই এই মিসাইল ভারতীয় সেনার শক্তি বাড়াবে কয়েকগুন। সোমবার মিসাইলের শক্তি পরীক্ষায় আরও কয়েকটি টেস্ট হবে।

১৯৮০ তে শুরু হয়েছিল Integrated Missile Development Programme. তার আওতায় তৈরি হয়েছে অগ্নি, পৃথ্বী, আকাশ মিসাইল। এই প্রজেক্টেরই অংশ এই নাগ মিসাইল। তবে আপাতত কিছু সমস্যার জন্য বন্ধ হয়ে গিয়েছে ত্রিশূল প্রজেক্ট।

এই নয়া মিসাইলটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন৷ এই বিশেষ মিসাইলটিতে রয়েছে ইমেজিং ইনফ্রারেড ব়্যাডার সিকার৷ এই নয়া মিসাইলটি সহজেই শত্রুর যে কোনও বস্তুকে মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংস করে দিতে পারে৷ এই মিসাইলটি ড. এ পি জে আব্দুল কালাম মিসাইল কমপ্লেক্সের ডিআরডিও বিজ্ঞানীরা, ডি এল যোধপুর, এইচইএমআরএল এবং পুনের এরডিই যৌথভাবে তৈরি করেছে৷

ওই মিসাইলের মাথায় বসানো হয়েছে এক বিশেষ ডিটেক্টর যা সহজেই কোনও ইনফ্রারেড সিগন্যাল ধরতে পারবে।