নয়াদিল্লি : দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবার আসরে দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও বা ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন। রাজধানী দিল্লিতে কোভিড ফেসিলিটি সেন্টার তৈরি করল এই সংস্থা। এতে রাখা হয়েছে অক্সিজেন বেড ও ভেন্টিলেটর।

অক্সিজেন বেড ও ভেন্টিলেটর ছাড়াও করোনা আক্রান্তের জন্য সব রকম সুবিধা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে এখানে। এখানে চিকিৎসার জন্য রোগিকে কোনও টাকা দিতে হবে না বলে জানানো হয়েছে। ডিআরডিও-র কোভিড সেন্টারে প্রচুর ভেন্টিলেটর, অক্সিজেন বেড, উন্নত মানের পরীক্ষা নিরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে।

এখানে যদি কোনও রোগি হৃদরোগের সমস্যা দেখা দেয়, তবে সেন্টার থেকেই সরাসরি দিল্লি এইমসে ভর্তি হওয়া যাবে বলে জানানো হয়েছে। জানানো হয়েছে এই সেন্টারে ২৫০টি শয্যা থাকবে। সোমবার থেকে চালু হতে চলা এই সেন্টারের শয্যা সংখ্যা দিনকয়েকের মধ্যেই ৫০০ করা হবে।

রাজধানীতে দিল্লিতে যেভাবে হু-হু করে বাড়ছে সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা তাতে হাসপাতাল গুলিতে একশোরও কম আইসিইউ বেড রয়েছে। দিল্লির হাসপাতালগুলিতে করোনা রোগীর তুলনয় বেডের সংখ্যা কম থাকায় গত ২৪ ঘন্টায় প্রায় চব্বিশ শতাংশ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত সংরক্ষিত বেড ভরতি হয়ে গিয়েছে। শুধু তাই নয়, হাসপাতালের মোট ১০,০০০ বেডের মধ্যে ১,৮০০ টি বেড করোনা রোগীদের জন্য সংরক্ষিত করে রাখা হয়েছে। তার পরেও ঘাটতি দেখা দিয়েছে প্রচুর সংখ্যক বেডের।

পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রের কাছে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য অন্তত সাত হাজার বেড সংরক্ষিত করে রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে জানানো হয়েছে, এবার করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রয়োজনীয় ওষুধ, ভ্যাকসিন, অক্সিজেন সিলিন্ডার, ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থায় যাতে ত্রুটি না থাকে সেই বিষয়ে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া সরকারে তরফে টেস্ট, ট্রেসিং ও ট্রিটমেন্ট-এর উপরও জোর দেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে। যেভাবে মৃত্যুর হার বাড়ছে সারা দেশে তাতে কেন্দ্রের তরফে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। তবে টেস্টিং ও ট্রেসিং-এ জোর দিলে মৃত্যুর হার কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.