মুম্বই: ব্রহ্মোস মিসাইলের ইউনিট থেকে পাক চর সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে এক ব্যক্তিকে। আর সেই ব্যক্তির বিষয়ে তদন্ত করতে গিয়ে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য উঠে আসছে গোয়েন্দাদের হাতে। দেখা যাচ্ছে, তাঁর ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ছিল ব্রহ্মোস সংক্রান্ত ভুরি ভুরি তথ্য। আর সেসব স্পর্শকাতর তথ্যই সে পাকিস্তানের হাতে তুলে দিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

কম্পিউটার থেকে একাধিক পাকিস্তানির সঙ্গে তার ফেসবুকে চ্যাট করার প্রমাণও মিলেছে। ফেসবুকের মাধ্যেই সেই তথ্য পাচার করা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

সোমবার মহারাষ্ট্রের নাগপুরের ব্রহ্মোস মিসাইলের ইউনিট থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে ওই ব্যক্তিকে। দিনের পর দিন ভারতের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত তথ্য পাকিস্তানের কাছে পাচার করার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

ধৃত ব্যক্তির নাম নিশান্ত আগরওয়াল। গত চার বছর ধরে ব্রহ্মোস ইউনিটে কাজ করছিল এই ব্যক্তি। অফিশিয়াল সিক্রেট অ্যাক্টের আওতায় তাকে এদিন গ্রেফতার করেছে মহারাষ্ট্রের অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

গত মাসে উত্তরপ্রদেশে একই অভিযোগে এক বিএসএফ জওয়ানকেও গ্রেফতার করেছে অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড। নয়ডার ওই জওয়ানের বিরুদ্ধেও পাকিস্তানের হাতে তথ্য তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মধ্যপ্রদেশের রেওয়া জেলার বাসিন্দা অচ্যুতানন্দ মিশ্রকে হানিট্র্যাপে ফেলে অনেক তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। ডিফেন্স রিপোর্টার হিসেবে এক মহিলা হানিট্র্যাপে ফেলেছিল ওই জওয়ানকে।

এর আগে একই অভিযোগ ওঠে উত্তরাখণ্ডের বাসিন্দার বিরুদ্ধে। ইসলামাবাদে ভারতীয় কূটনীতিকের বাড়িতে একাধিকবার ঢুকেছিল ওই ব্যক্তি। এক ভারতীয় কূটনীতিকের বাড়িতে রান্নার কাজ করত ওই ব্যক্তি। সেই আইএসআই-এর হাতে তুলে দিত অনেক গোপন তথ্য।