কলকাতা: নাট্যকর্মীরা বন্ধনে বিশ্বাসী কিন্তু এনআরসি এবং সিএএ বিভেদের সৃষ্টি করছে। সেই কারণেই পথে নামলেন নাট্যকর্মীরা। বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিভাস চক্রবর্তী, সুরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌমিত্র বসু, পল্লব কীর্তনিয়া, নীল মুখোপাধ্যায়, অশোক মুখোপাধ্যায়, মেঘনাদ ভট্টাচার্য, চন্দন সেন প্রমুখ।

তাঁরা একত্র হয়ে এনআরসি এবং সিএএ-র তীব্র সমালোচনা করেন। অন্যদিকে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ নাট্যকর্মীদের এই বিক্ষোভ মিছিলকে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন নাট্যকর্মীরা ‘হাওয়া মোরগ’। দিলীপের বক্তব্যের পালটা সমালোচনা করেন। মিছিল রাসবিহারী থেকে শুরু হয়ে অ্যাকাডেমি পর্যন্ত যাবে।

দিলীপ ঘোষ বলেন, ওই মিছিল মূলত বিজেপির বিরুদ্ধে। বুদ্ধিজীবীরা আগে সিপিএম পরে তৃণমূল হয়েছে। ডাল পাল্টেছেন। মানুষ সব বোঝে। বক্তব্যের সমালোচনা করে পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সে কথা কানে শুনতে চাই না। মেঘনাদ ভট্টাচার্যের কথায় বিজেপি রাজ্য সভাপতির কথায় আমাদের চরিত্র নির্ধারণ হয় না।

নাট্যকর্মীরা বিশ্বভারতীতে পড়ুয়াদের আক্রমণের ঘটনাকে কড়া ভাষা নিন্দা করেন। ছাত্রদের পাশে দাঁড়ানো তাঁদের কর্তব্য বলেই মনে করছেন সবাই। নীল মুখোপাধ্যায় অস্তিত্বের সংকটের দিনে আমরা রাস্তায় না নেমে পারলাম না। যে বিল আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে তা আমরা মানছি না। নাট্যকর্মীদের সৌভাতৃত্বপূর্ণ এই যাত্রায় সামিল হয়েছেন বহু সাধারণ মানুষও।

ফেস্টুন ব্যানার হাতে নিয়ে গান গাইতে গাইতে মিছিল এগিয়ে চলেছে অ্যাকাডেমির দিকে। মিছিলে যোগ দিয়েছেন পড়ুয়ারাও। মিছিলে কোনও দলীয় রং নেই। জাতীয় পতাকা নিয়ে এই সৌভাতৃত্বপূর্ণ যাত্রা বলেই জানিয়েছেন নাট্যকর্মীরা। মিছিলে উপস্থিত বিভাস চক্রবর্তী পড়ুয়াদের ওপর এবিভিপির আক্রমণের ঘটনাকে তীব্র সমালোচনা করেন।