ড. ফুয়াদ হালিম

কলকাতা: করোনা আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হওয়ার পর কনভালোসেন্ট প্লাজমা দান করার ক্ষেত্রে নজির স্থাপন করলেন ‘গরিবের ডাক্তার’ ফুয়াদ হালিম৷ পরপর ৬ বার কনভালোসেন্ট প্লাজমা দান করলেন তিনি৷ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার প্রাক্তন স্পিকার আব্দুল হালিমের পুত্র হলেন ফুয়াদ হালিম৷

মঙ্গলবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ব্লাড ট্রান্সফিউশন বিভাগে ষষ্ঠবার প্লাজমা দান করলেন৷ তারপর তিনি জানালেন,সম্ভবত ভারতে আমিই প্রথম 6th time কোভিড ১৯ কনভালোসেন্ট প্লাজমা দান করতে পেরেছি৷ আরও তিন কোভিড রোগীর পাশে দাঁড়ানোর অনুমতি দেওয়ার জন্য আমি খুশি৷

করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা করতে কনভালোসেন্ট প্লাজমা থেরাপি পরীক্ষামূলক প্রয়োগ চলছে গোটা দেশজুড়ে। এ রাজ্যে সেই পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু হয়েছিল কলকাতার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ব্লাড ট্রান্সফিউশন বিভাগের হাত ধরে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে৷

রাজ্যে ‘গরিবের ডাক্তার’ বলে পরিচিত ফুয়াদ হালিম৷ তার নেতৃত্বে একদল চিকিৎসক করোনাকালে ৫০ টাকার ডায়ালাইসিস করেছেন৷

উল্লেখ্য,১২ বছর আগে ফুয়াদ হালিম নিজের পরিবার, দেশ বিদেশে ছড়িয়ে থাকা বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে একটি হাসপাতাল গড়েন৷ নাম দেন ‘কলকাতা স্বাস্থ্য সংকল্প’৷ পার্ক স্ট্রিটের পাশের কিড স্ট্রিটের এমএলএ হোস্টেলের বিপরীতে বাড়ির পাশেই ওই হাসপাতাল৷

এই হাসপাতালে মূলত গরিবদের ৫৫০ টাকায় ডায়ালিসিস করা শুরু হয়৷ পরে তা আরও কমিয়ে লকডাউনের আগে পর্যন্ত ৩৫০ টাকায় করা হয়৷ আর লকডাউনে প্রথম থেকেই মাত্র ৫০ টাকায় ডায়ালিসিস করে সারা ফেলেন চিকিৎসক ফুয়াদ হালিম৷

কিন্তু চিকিৎসক ফুয়াদ হালিম নিজেই গত জুলাই মাসে করোনা আক্রান্ত হন৷ সেই সময় হঠাৎ অসুস্থ বোধ করায় ‘হোম আইসোলেশন’-এ চলে যান৷ কিন্তু শারীরিক সমস্যা বাড়তে থাকায় পরপর দু-বার করোনা পরীক্ষা করা হয়৷ দু’ বারই সেই রিপোর্ট নেগেটিভ আসে৷ তারপরেও অবশ্য তার শ্বাসকষ্ট কমেনি৷

তাই তাকে মিন্টো পার্কের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ এবং চেষ্ট এক্সরে, সিটি স্ক্যান-সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়৷ পরে আইসিইউ-তে দেওয়া হয়৷ তার পরই ফুয়াদ হালিমের স্ত্রী সাইরা শাহ হালিম জানিয়েছিলেন, করোনা পরীক্ষা করা হলেও প্রথমে নেগেটিভ আসে৷ কিন্তু পরে পজিটিভ আসে৷

তার টুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, ‘কোভিড মোকাবিলায় প্রথম সারির যোদ্ধা হওয়ার পাশাপাশি মহামারি চলাকালীন বহু অসহায় ,দরিদ্র, অসুস্থ মানুষের সেবা করেছেন আমার স্বামী ডাঃ ফুয়াদ হালিম৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।