স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাজ্যে অমিত শাহের সভা ঘিরে অনিশ্চয়তা৷ বারুইপুরে এদিন দুপুরে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির সভা করার কথা৷ কিন্তু মাঠের মালিক অপত্তিতে আপাতত সেই সভা বিশ বাঁও জলে৷

বাকি রয়েছে শেষ দফার ভোট৷ ১৯ মে রাজ্যের নয় কেন্দ্রে ভোট হবে৷ এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য যাদবপুর কেন্দ্র৷ সোমবার ওই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অনুপম হাজরার সমর্থনে বারুইপুরের সীতাকুণ্ডে সভা করার কথা বিজেপি সভাপতি অমিত শাহের৷ মিলেছিল সভার জন্য ব্যক্তিগত মালিকানাধীন মাঠের অনুমতিও৷ কিন্তু রবিবারই মাঠের মালিক জানিয়ে দেন সেই অনুমতি তিনি বাতিল করছেন৷

মাঠ মালিক অনুমতি বাতিল করায় প্রশাসনিক অনুমতি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না৷ পুলিশের তরফে বিষয়টি জানানো হয় বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বকে৷ ওই মাঠেই হেলিপ্যাডও তৈরি করা হয়৷ মাঠের অনুমতি বাতিল হওয়ায় কোথায় অমিত শাহের সভা হবে, হেলিকপ্টারই বা কোথায় নামবে তা নিয়ে ঘোর বিপাকে দলের রাজ্য নেতারা৷ সম্পূর্ণ ঘটনা জানানো হয়েছে দলের সর্বভারতীয় সভাপতিকে৷ তিনি কি সিদ্ধান্ত নেন আপাতত সে দিকেই তাকিয়ে মুরলীধর সেন লেনের নেতারা৷

সীতাকুণ্ডের ওই জমির মালিকের দাবি, তিনি আগে থেকেই অপর একটি রাডনৈতিক দলকে এদিন সভার জন্য মাঠের অনুমতি দিয়ে রেখেছেন৷ পরে ভুল করে একই দিনে ফের অনুমতি দিয়েছেন গেরুয়া শিবিরকে৷ তাই পরের অনুমতিটি বাতিল করা হচ্

এদিন প্রথমে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে সভা করবেন অমিত শাহ৷ সেখান থেকেই হেলিকপ্টারে আসার কথা ছিল বারুইপুরে৷ মাঠের অনুমতি বাতিল হওয়ায় তিনি সড়ক পথে আসতে পারেন বলে পার্টির রাজ্য নেতাদের একাংশের মত৷ করতে পারে ব়্যালি৷ আপাতত সেই ভাবনায় বিজেপির জেলা ও রাজ্য নেতৃত্ব৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।