নয়াদিল্লি: কথা ছিল ১ এপ্রিলের মধ্যে ১০টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে একে অপরের সঙ্গে মিশিয়ে দিয়ে চারটি বড় ব্যাংকে পরিণত করার কাজ ৷ কিন্তু যা অবস্থা তাতে সেই কাজ নির্ধারিত সময়ে হবে কি না তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে ৷

যা পরিস্থিতি তাতে দেখা যাচ্ছে, এই প্রস্তাবিত সংযুক্তিকরণে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সায় মিললেও শেয়ার সোয়াপ রেশিও নির্ধারণ অর্থাৎ, পরিবর্তনের ফলে ব্যাংকগুলির শেয়ার হোল্ডাররা এক ব্যাংকের শেয়ারের বদলে অন্য ব্যাংকের কটা শেয়ার পাবেন তা নির্ধারণ করা, সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলির শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন এবং অন্যান্য বিধিবদ্ধ ছাড়পত্র পেতে এখনও কমপক্ষে ৩০-৪৫ দিন সময় লাগবে।

দেশের ব্যাংকিং ক্ষেত্রে সংস্কারের অঙ্গ হিসাবে , এই দ্বিতীয় পর্যায়ে দেশের যে ১০টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে একে অপরের সঙ্গে মিশিয়ে চারটি বড় ব্যাংক গড়ার কাজ শুরু হয়েছিল তার জন্য রিজার্ভ ব্যাংক এবং শেয়ার বাজার সমেত বিভিন্ন নিয়ামক সংস্থার বেশ কিছু অনুমোদন এবং ছাড়পত্র পাওয়া বাকি রয়েছে ৷ এহেন পরিস্থিতি দেখে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলির আধিকারিকরাই এই সংযুক্তিকরণের প্রক্রিয়া শেষ করা যাবে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।

দ্বিতীয় পর্যায়ের এই সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়ায় পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের সঙ্গে ইউনাইটেড ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া এবং ওরিয়েন্টাল ব্যাংক অফ কমার্সকে যুক্ত করা হবে। তেমনই আবার সিন্ডিকেট ব্যাংকের সঙ্গে কানাড়া ব্যাংক, এলাহাবাদ ব্যাংকের সঙ্গে ইন্ডিয়ান মিশবে৷ তাছাড়া অন্ধ্র ব্যাংক ও কর্পোরেশন ব্যাংকে ইউনিয়ন ব্যাংকের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর দফতর ব্যাংকগুলির কাছে আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে তাদের আর্থিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা জানতে চেয়েছে। ব্যাংকগুলির অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ, মূলধন কতটা প্রয়োজন, ঋণ দেওয়া কতটা বেড়েছে এবং সংযুক্তিকরণ হলে এই সব ক্ষেত্রে কতটা খরচ বাঁচবে সেটাই জানতে চাওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।