স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: দু’টি পৃথক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল দু’জনের। বাঁকুড়া সদর থানা এলাকার এই দুই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে৷

প্রথমটি, লোহার বড় পাইপ বোঝাই লরির সঙ্গে একটি ১২ চাকা লরির মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হয় এক চালকের। গুরুতর আহত আরও তিনজন। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার বাঁকুড়া-দুর্গাপুর রাস্তার উপর মাকুড়গ্রামের কাছে।

এদিন সকাল ১১টার পর বাঁকুড়া-দুর্গাপুর রাস্তার উপর বাঁকুড়া সদর থানার মাকুড়গ্রামে পাইপ বোঝাই লরির সঙ্গে ১২ চাকার লরির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে৷ ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান চালক৷ যদিও মৃত চালকের নাম পরিচয় এখনও জানা যায়নি। পুলিশ স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে আহতদের বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এই সংঘর্ষের ঘটনায় আরও এক ব্যক্তি ওই লরির ভিতরে আটকে রয়েছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।

আরও পড়ুন: বাঁশদ্রোনি এলাকায় চুরি, আতঙ্কে এলাকাবাসী

এই দূর্ঘটনার কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে যানচলাচল ব্যাহত হয়। আটকে পড়ে বহু যাত্রী ও পণ্যবাহি গাড়ি। পুলিশ দ্রুত যানযট কাটাতে উদ্যোগ নিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। দূর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর নেই। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এই এলাকায় প্রায়শই দূর্ঘটনা ঘটছে। বিশেষত, বৃষ্টির পর এই দূর্ঘটনার হার বেড়ে যায়। ধারাবাহিক দূর্ঘটনা এড়াতে প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

অন্যদিকে, বাঁকুড়া শহর সংলগ্ন সতীঘাটের কাছে বাসের ধাক্কায় মৃত্যু হয় বছর পনেরোর সাইকেল আরোহী এক কিশোরের। মৃতের নাম পরিচয় জানা যায়নি। বাঁকুড়া সদর থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠায়। যদিও ঘাতক বাসটিকে পুলিশ আটক করেছে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন: বাস দুর্ঘটনায় বাংলাদেশে মৃত ১৩

স্থানীয়দের অভিযোগ, সতীঘাট সেতু ছাড়া বাঁকুড়া ২ ব্লকের বিকনা সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের জেলা সদরে আসার কোনও বিকল্প রাস্তা না থাকার কারণেই বারবার দূর্ঘটনা ঘটছে। বন্যায় ভেঙে যাওয়া ওই সেতু দ্রুত নির্মানের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।