শিবপ্রিয় দাশগুপ্ত : রাজ্যে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ প্রবল শক্তি নিয়ে সংক্রমণ ছড়িয়ে চলেছে। চিকিৎসকরা করোনার এই দ্বিতীয় ঢেউ থেকে রাজ্যের মানুষদের রেহাই পেতে বেশ কিছু পরামর্শ দিচ্ছেন। যেহেতু এখনও করোনার কোনও প্রতিষেধক বার হয়নি, তাই সতর্কতা বজায় রেখেই সবার চলা উচিত বলে মনে করছেন চিকিৎসক ডাঃ সুদীপ্ত মিত্র। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ‘আমাদের কাছে এমন করোনা রোগী আসছেন যাদের করোনার টিকা নেওয়া হয়ে গিয়েছে। জ্বর উঠলে খুব বেশি জ্বর হচ্ছে। বাইরে থেকে যে ভাইরাস এসেছে সেটা খুবই শক্তিশালী।” করোনা থেকে বাঁচতে কী করবেন কী করবেন না এই সম্পর্কে কিছু নির্দেশিকা দিয়েছেন ডাঃ সুদীপ্ত মিত্র।

কী করবেন :

মাস্ক পড়তে হবে

শারীরিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে

স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে

জ্বর হলে নজর রাখতে হবে সেটা বাড়ছে কী না

জ্বর বাড়লে, স্বাশ কষ্ট হলে, শরীরে ব্যথা হলে করোনা পরীক্ষা করতে হবে

অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে

বাইরে থেকে এসে শাড়ির ও পোশাক ভালো করে ধুয়ে ফেলতে হবে

কী করবেন না :

কোনও ভাবেই মাস্ক ছাড়া বাইরে যাওয়া চলবে না

দোকান, বাজারে গিয়ে শারীরিক দূরত্ব মেনে চলুন

সেলুন, বিউটিপার্লার- থেকে দূরে থাকুন

বেশি মানুষ একটি বদ্ধ ঘরে থাকবেন না

বিয়ে বাড়ি, অনুষ্ঠান বাড়ি বর্জন করুন

সামাজিক অনুষ্ঠান বিশেষ করে খোলা মাঠে বা হলে গান বাজনার অনুষ্ঠানে যাবেন না

এই প্রসঙ্গে ডাঃ অরিন্দম বিশ্বাস বলেন, করোনার শুরুতে যে সব বিধি নিষেধ ছিল এখনও সে সবই রয়েছে। কিন্তু মানুষ মানছেন কোথায়? রাস্তায় মানুষ মস্ক ছাড়া বার হচ্ছেন। ডাঃ সুদীপ্ত মিত্রও একই ভাবে বলেন, “নির্বাচনকে সামনে রেখে যে সভা সমিতি হচ্ছে সেখ্যান থেকেও করোনা সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। কোনও রকম সামাজিক ও পারিবারিক জমায়েতে এখন অংশগ্রহণ করা উচিত নয়। একই ভাবে ডাঃ অরিন্দম বিশ্বাস বলেন সবচেয়ে মানুষকে সচেতন হতে হবে, বুঝতে হবে যে নিয়ম না মানলে আক্রান্ত করোনায় হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে। তাই নিজেই এই বিষয়ে নিজেকে বাঁচানোর জন্য সব রকম ব্যবস্থা করতে হবে। কিন্তু বাস্তবে আমরা সেটা দেখতে পাচ্ছি কোথায়? আর এই অসতর্কতাই বিপদ ডেকে আঁচে বলে চিকিৎসকদের মত ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.