ফাইল ছবি

ঢাকা: সরকারি চাকরি পাওয়ার পরীক্ষায় ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হল বাংলাদেশে৷ কোনও ব্যক্তি যদি মাদক সেবনে অভ্যস্ত হন তাহলে তাঁর চাকরি হবে না৷ এমনই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিল শেখ হাসিনার সরকার৷ মঙ্গলবার এই নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল৷ সম্প্রতি মাদক ইয়াবার সেবন ও পাচার রুখতে একের পর এক অভিযান চালানো হয়৷ তার জেরে বড়সড় ধাক্কা নেমেছে মাদক কারবারিদের উপরে৷ এবার মাদক সেবন রুখতে অভিনব উপায় নেওয়া হল৷

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোনও ব্যক্তি মাদক গ্রহণ করলে তিনি আর সরকারি চাকরিতে যোগ দিতে পারবেন না। সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন৷ মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা আমাদের অন্যতম অঙ্গীকার। মাদকের উৎস, সরবরাহ ও সেবন সবকিছুই আমরা বেশ শক্তভাবে নিয়ন্ত্রণ করছি।

প্রথম দিকে সরকারি চাকরিতে যোগ দিতে সব প্রার্থীকেই ডোপ টেস্টে অংশ নিতে হবে। ডোপ টেস্টের রিপোর্টে কারো বিরুদ্ধে মাদক গ্রহণের প্রমাণ পাওয়া গেলে তিনি যত যোগ্যতা সম্পন্নই হোন, তার আবেদন বাতিল হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে যারা চাকরি করছেন, তাদেরও এই ডোপ টেস্ট দিতে হবে। চাকরিরত কারো বিরুদ্ধে মাদক গ্রহণের প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ইয়াবা সেবন বিপুল হারে বেড়েছে৷ থাইল্যান্ড-মায়ানমার হয়ে চট্টগ্রামের পথ ধরে এই মাদক ছড়ায়৷ মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে চলছে সরকারি অভিযান৷ একের পর এক ইয়াবা ডন ধরা পড়েছে৷ কারোর মৃত্যু হয়েছে গুলির লড়াইয়ে৷ সরকার জানিয়েছে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ চলবেই৷