শ্রীনগর: খুব একটা শান্তিতে নেই কাশ্মীর। স্পেশাল স্টেটাস তুলে নেওয়ার পর জারি ছিল কার্ফু। বন্ধ ছিল ইন্টারনেট। আর এখনও লকডাউন। তার মধ্যেই আতঙ্ক ছযায় বৃহস্পতিবার ভোররাতে।

ধ্বংস হয়ে যাবে পৃথিবী। এই আতঙ্কে ঘর থেকে ছুটে বেরিয়ে আসেন সবাই। আজান দিতে শুরু করেন তাঁরা। কেউ বলে আকাশে দেখা যাচ্ছে ধ্বংসের ইঙ্গিত। আবার কেউ বলে ওঠেন মহম্মদের নাম লেখা দেখা যাচ্ছে আকাশে। ঘরে ঘরে ওঠে কান্নার রোল।

মহিলারাও ছুটে বেরিয়ে আসেন। আজান দিতে শুরু করেন, প্রার্থনা করতে শুরু করেন। একে অপরকে জিজ্ঞেস করতে শুরু করেন, ঠিক কী হয়েছে। সদুত্তর নেই কারও কাছেই।

আসলে কোনও সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট থেকেই আতঙ্ক ছড়ায়। সেখানে বলা হয়েছিল, ২৬ মার্চ পৃথিবীর পাশ দিয়ে ছুটে যাবে কোনও এক গ্রহাণু। আর তাতেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে পৃথিবী। নাসার নাম করা হয়েছিল সেই রিপোর্টে। আর তা থেকেই ছড়ায় আতঙ্ক। অনেকেই বলেন, আজই ‘কয়ামত’ বা ধ্বংসের দিন। মুখে মুখে রটে যায় সেই কথা।

এদিকে অনেকে একসঙ্গে আজান দিতে শুরু করায় ছুটে যায় পুলিশ। কারণ গোটা দেশে লকডাউন চলছে। কোথাও ধর্মীয় জমায়েত করা যাবে না।

কাশ্মীরে অবশ্য আতঙ্ক জারি আছে। কারণ ১১ জনের শরীরে ধরা পড়েছে করোনা সংক্রমণ। বৃহস্পতিবারই একজনের মৃত্যুও হয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা