বেজিং: বিশ্বজুড়ে মহামারী তৈরি করা করোনা ভাইরসের প্রতিষেধক তৈরির ক্ষেত্রে ব্যস্ত গোটা বিশ্ব। আমেরিকা সহ অন্যান্য দেশ এমনকি বিশ্বের একাধিক নামী বিশ্ববিদ্যালয় যোগ দিয়েছে এই কাজে। তারই মধ্যে জানা গিয়েছে চিনের ফার্মে শুরু হয়েছে প্রতিষেধক তৈরির কাজ।

ইতিমধ্যে বেজিং এর একটি ল্যাবের তরফে এই ভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরির ক্ষেত্রে আশার আলো দেখিয়েছে। সম্প্রতি চিনে চারটি প্রতিষেধক পরীক্ষার ক্ষেত্রে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে একটি প্রতিষেধক পরীক্ষা পরিচালনা করছেন সিনোভাক বায়োটেক। তাদের তরফে দাবি করা হয়েছে একটি প্রতিষেধকের ক্ষেত্রে আশানুরূপ ফল পাওয়া গিয়েছে।

এছাড়া বাঁদরদের মধ্যে পরীক্ষাতে আশানুরূপ ফল দিয়েছে। তবে সদ্যই মানব শরীরে শুরু হয়েছে প্রতিষেধকের পরীক্ষা। তবে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে তারা বছরে কয়েক লক্ষ প্রতিষেধক তৈরি করতে প্রস্তুত। মূলত এই করোনা ভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পরার আগে সব থেকে বেশী প্রভাব ফেলেছিল চিনেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে প্রতিষেধক তৈরি করতে ১২ থেকে ১৮ মাস সময় লাগবে। যা যে কোন ধরনের প্রতিষেধক তৈরি করার ক্ষেত্রেই লাগে।

তবে সিনোভাকের তরফে জানানো হয়েছে তারা এখনও জানে না কবে বাজারের জন্য তাদের অন্তত হাফ মিলিলিটার ইঞ্জেকশন প্রস্তুত করা হবে। এই বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যেও কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই সংস্থার ডিরেক্টর। ভ্যাকসিন প্রস্তুতের ক্ষেত্রে সিনোভাক আগেও নিজেকে প্রমাণ করেছে। এর আগেও তারা ২০০৯ সালে তারা সোয়াইন ফ্লুয়ের জন্য ভ্যাকসিন প্রস্তুত করেছিল।

বিশ্বজুড়ে ইতিমধ্যে একাধিক ল্যাব কেবল এই ভাইরাসের প্রতিসেধক তৈরি করার কাজে মগ্ন। বিশ্বজুড়ে কয়েক লক্ষ মানুষজন এই ভাইরাসের শিকার হয়েছেন। প্রথম সারিরি একাধিক দেশ কার্যত থমকে গিয়েছে এই ভাইরাসের কারণে। তবে আসা করা হচ্ছে দ্রুত প্রতিষেধক বাজারে আসবে। ইতিমধ্যে এই সংস্থা পরীক্ষা করা শুরু করেছে মানুষের উপরে। তা সফল হলেই বাজারে প্রতিষেধক আসতে খুব একটা বেশী সময় লাগবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।