নয়াদিল্লি: করোনার ঠেলায় ত্রস্ত গোটা দুনিয়া। মারণ এই ভাইরাস থাবা বসিয়েছে ভারতেও। যার জেরে প্রতিদিনই হুহু করে বাড়ছে মৃত এবং আক্রান্তের সংখ্যা। এই অবস্থায় অচেনা এই শত্রুকে প্রতিরোধ করতে
বদ্ধপরিকর কেন্দ্রীয় সরকার। তবুও মারণ এই ভাইরাস মোকাবিলায় সাবধানতায় শেষ কথা।

গোটা বিশ্বের পাশাপাশি করোনার বিরুদ্ধে একজোটে লড়ে চলেছে আমাদের দেশ ভারতবর্ষও। দেশের এমন কঠিন পরিস্থিতিতে সকলকে ফের করোনা মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে রাস্তায় নেমে বা সমাবেশ করে নয়।

বরং ঘরের মধ্যে থেকেই করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে অসংখ্য দেশবাসীকে সামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। আর যার ফলে রবিবার রাত ৯টা বেজে ৯ মিনিটে সকল দেশবাসীকে করোনার বিরুদ্ধে লড়তে বৈদ্যুতিক আলো নিভিয়ে টর্চ, ফোনের লাইট এবং মোমবাতি জ্বালানোর ডাক দিয়েছেন তিনি। কারন, একাটাই। শুধু ডাক্তার- নার্সরা একা নন, করোনা মোকাবিলায় আমরা প্রত্যেক ভারতবাসীই একসঙ্গে রয়েছি। তবে তারমধ্যেও বিশেষ সাবধানবানী শোনাচ্ছে কেন্দ্রীয় তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রক।

শনিবার কেন্দ্রীয় তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে যে, করোনা মোকাবিলায় রবিবার রাতে অবশ্যই সরকারে আহ্বানে সাড়া দিয়ে ঘরে প্রদীপ, মোমবাতি জ্বালান। নিজেকে করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে সামিল করে তুলুন। তবে সবকিছুই করবেন অবশ্যই সর্তকতা মূলক বিধি মেনে। কারন একটাই। করোনা সর্তকতায় এখন নিজেকে সুস্থ এবং,পরিষ্কার পরিছন্ন রাখতে কেন্দ্র এবং রাজ্যসরকার গুলির তরফে বারবার হাত ধোঁয়া ও হ্যান্ডস্যানিটাইসারের ব্যবহারের কথা বলা হচ্ছে।

কিন্তু একটু অসাবধান বশত এই স্যানিটাইসারের ব্যবহার আমাদের জীবনে অনেক বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। কারন, প্রায় ৬০থেকে ৭০ ভাগ অ্যালকোহল যুক্ত এই হ্যান্ড স্যানিটাইসার গুলি তৈরি হয় ইথিলিন এবং নানারকম রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে। যেগুলি জলে দ্রাব্য। এছাড়াও আগুনের সংস্পর্শে আসলে জ্বলে উঠতে পারে। এক কথায় বলা যায়, যে কোনও হ্যান্ড স্যানিটাইসারই হল দাহ্য পদার্থ।

ফলে হাতে এই ধরনের জীবাণুনাশক গুলি ব্যবহারের পর মোমবাতি, প্রদীপ বা দেশলাইকাঠি জ্বালানোর ক্ষেত্রে দ্বগ্ধ হওয়া বা আগুন লেগে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে। সেক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রক জানাছে, রবিবার রাতে অবশ্যই দীপ জ্বালান। তবে তার আগে প্রয়োজনীয় সর্তকতা বিধি মেনে চলুন। তবেই করোনার বিরুদ্ধে আমরা প্রত্যকেই সহযোদ্ধা হয়ে উঠতে পারব।