নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনকে অর্থমন্ত্রক জানাল কোনও তথ্য নেই শিল্পপতি বিজয় মালিয়াকে ঋণ দেওয়ার ব্যাপারে৷ যা দেখে স্বচ্ছতা প্যানেলের মন্তব্য এমন প্রতিক্রিয়া ‘অস্পষ্ট এবং আইনত গ্রাহ্য নয়’৷

মুখ্য তথ্য কমিশনার আর কে মাথুর, রাজীব কুমার খারের শুনানি চলাকালীন, অর্থমন্ত্রকের এক আধিকারিককে জানিয়েছেন,তথ্যের অধিকার আইন অনুসারে করা আবেদনকারী আবেদপত্রটি যেন সঠিক সরকারি অধিকারির হাতে দেওয়া উচিত৷

অর্থমন্ত্রকের আধিকারিক দাবি করেছেন, বিভিন্ন ব্যাংক থেকে বিজয় মালিয়াকে ঋণ দেওয়ার ব্যাপারে অথবা মালিয়াকে দেওয়ার ঋণের জন্য কারা গ্যারান্টার সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনও তথ্য মন্ত্রকের কাছে নেই কিন্তু আগেই মন্ত্রকের পক্ষ থেকে সংসদে এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়েছে৷

কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী সন্তোষ গাঙ্গোয়ার ২০১৭ সালের ১৭ মার্চ মালিয়ার বিষয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাবে জানিয়েছিলেন,ওই ব্যক্তিকে ঋণ দেওয়া হয়েছিল ২০০৪ সালে এবং তা নিয়ে পর্যালোচনা হয়েছিল ২০০৮ সালে৷ ২০০৯ সালে ৮০৪০ কোটি টাকা ঋণ অনুৎপাদক সম্পদ হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ২০১০ সালে তা পুনর্গঠন করা হয় বলে তিনি জানান৷

রাজ্যসভায় ২১মার্চ গাঙ্গোয়ার জানিয়েছিলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলির রিপোর্ট অনুসারে ১৫৫ কোটি টাকা উদ্ধার করা গিয়েছিল বিজয় মালিয়ার বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির মেগা অনলাইন নিলামের মাধ্যমে৷ ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে নোটবন্দির নিয়ে উচ্চকক্ষে বিতর্কের সময় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি মালিয়ার ঋণের ঘটনাকে ‘সাংঘাতিক পরম্পরা’ বলে অ্যাখ্যা দিয়েছিলেন৷

খারে যখন তথ্যের অধিকার আইন অনুসারে আবেদন করেন প্রথমে অর্থমন্ত্রকের তরফ থেকে বলা হয়েছিল মালিয়ার ঋণের বিষয়ে তথ্য দেওয়া যাবে না৷ কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল আইন অনুসারে এটা কোনও ব্যক্তির নিরাপত্তা সম্পর্কিত হওয়ায় এবং দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থের জন্য৷ অর্থমন্ত্রকের কাছ থেকে কোনও তথ্য না পাওয়ায় ওই ব্যক্তি কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের কাছে যান৷