প্রতীকি ছবি

নয়াদিল্লি: সম্প্রতি নিজামুদ্দিনের ঘটনা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হয়েছে। এরপর বহু জায়গায় ধর্মীয় জমায়েত হতে দেখা গিয়েছে, লকডাউনে যা আইন বিরোধী। তাই এবার রমজান মাস শুরুর আএ ফের ধর্মীয় জমায়েত নিয়ে সতর্ক করলেন কেন্দ্রের সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী মুক্তার আব্বাস নকভি।

সোমবার সংবাদসংস্থার মুখোমুখি হয়ে তিনি আর্জি জানান যাতে রমজান মাসে সমস্ত রকম ধর্মীয় কাজকর্ম সবাই বাড়িতেই করেন। কোনও মসজিদে বা ইদগাহে কেউ না যান। আগামী ২৪ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে মুসলিমদের পবিত্র রমজান মাস। তাই সেইসময় ভিড় বা জমায়েত যাতে তৈরি না হয়, তাই সতর্ক করলেন মন্ত্রী।

এদিন তিনি বলেন, ”২৪ এপ্রিল থেকে রমজানের পবিত্র মাস শুরু হচ্ছে। আর রমজান মাসে মানুষ মসজিদে যান। কিন্তু, এখন এক সঙ্কটময় পরিস্থিতি। সৌদি আরব সহ বিশ্বের সব ইসলামিক দেশে জমায়েত বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমরা ইতিমধ্যেই সব ইমাম, ধর্মীয় সংগঠন ও ওয়াকফ বোর্ডগুলির সঙ্গে কথা বলেছি।”

তিনি জানিয়েছেন, রমজান মাসে অন্যান্যবারের মত মসজিদে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। এমনকি,ইফতারের সব রীতিও বাড়িতেই মানতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

নিজামুদ্দিন মার্কাজ থেকে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে। সেখানে বেশ কয়েকজন বিদেশি এসেছিলেন। সম্ভবত সেখান থেকেই সংক্রমণের সূত্রপাত। এরপর সংস্পর্শ থেকেই ছড়িয়ে পড়ে আক্রান্ত। হাজারেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে ওই জমায়েত থেকে। তাই স্বাভাবিকভানেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে বলা হয়েছে, “দিল্লির ওই তাবলিগ জামাত থেকে দেশের ১৪টি রাজ্যে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়া ওই তাবলিগি জামাতের সঙ্গে যুক্ত অন্তত ১২ জন ইতোমধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।’

গত মার্চের মাঝামাঝি সময়ে মার্কাজ নিজামুদ্দিনের ওই তবলিগি জামাতে ভারত ছাড়াও অন্যান্য দেশ থেকে মানুষ অংশ নেন। ছিলেন বাংলাদেশিও। সব মিলিয়ে প্রায় ৯ হাজার মানুষ যোগ দিয়েছিলেন ওই সমাবেশে। ভারতের একাধিক রাজ্যে রাজ্য সরকার ওই সমাবেশে যোগ দেওয়া ব্যক্তিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।