ram mandir

নয়াদিল্লি: মারণ করোনার থাবায় থরহরি কম্প অবস্থা দেশজুড়ে। এরই মধ্যে বড়সড় ঘোষণা কেন্দ্রীয় সরকারের। কেন্দ্রের প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়েছে অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরির জন্য দেওয়া অনুদানে কর ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আয়কর আইনের ৮০-জি ধারা অনুযায়ী, ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণ বা উপাসনার জায়গা তৈরিতে এই ছাড় মেলে।

শ্রীরামজন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টও সেই আইন অনুযায়ী রাম মন্দির তৈরির জন্য করমুক্তির আবেদন জানায়। শ্রীরামজন্মভূমি ট্রাস্টের সেই আবেদনে সাড়া দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর ঐতিহাসিক অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের রায়ে অযোধ্যার জমি রাম জন্মভূমি ন্যাসের অধীনে এসেছে।

উল্টোদিকে, মসজিদ তৈরির জন্য সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে ৫ একর জমি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই মতো মসজিদ তৈরির জন্য ইতিমধ্যেই সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের জন্য ৫ একর জায়গা চিহ্নিত করেছে উত্তরপ্রদেশ সরকার।

সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরেই অযোধ্যার বিতর্কিত জমিতে রাম মন্দির তৈরির জন্য তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে শ্রীরামজন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট।

এবার সেই রাম মন্দির তৈরির জন্য প্রত্যক্ষভাবে না হলেও পরোক্ষভাবে বিপুল অনুদানের ব্যবস্থার রাস্তা মসৃণ করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে রাম মন্দির তৈরির জন্য দেওয়া অনুদান করমুক্ত করার আবেদন জানিয়েছিল শ্রীরামজন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট।

সেই আবেদনেই সাড়া দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিবিৃতি জারি করে কেন্দ্র জানিয়েছে অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরিতে দেওয়া অনুদান আয়কর আইনের ৮০-জি ধারা অনুযায়ী করমুক্ত বলে গণ্য করা হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।