ওয়াশিংটন: মার্কিন মুলুকে গত সাতদিন ধরে চলা আন্দোলন যেন নতুন মাত্রা পেল। জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সরব হলেন খোদ ট্রাম্পের ছোট মেয়ে টিফনি ট্রাম্প। ওই নিষ্ঠুর ‘হত্যা’কাণ্ডের প্রতিবাদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলা ব্যাপক বিক্ষোভকে সমর্থন জানালেন তিনি।

হোয়াইট হাউসের বাইরে বিক্ষোভকারীদের ওপরে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ছোঁড়ার পরেই নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় বিক্ষোভকারীদের সমর্থনে পোস্ট দেন টিফনি। জানা গিয়েছে, বিক্ষোভে ক্ষতি হওয়া একটি চার্চ দেখতে যান ট্রাম্প, সে সময়ই তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা অকারণে বিক্ষোভকারীদের দিকে কাদানে গ্যাস ছোঁড়ে।

অনেকেই টিফনি ট্রাম্পকে জানিয়েছেন, তিনি যেন তাঁর বাবা ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এই বিক্ষোভের কারণ ব্যাখ্যা করেন। উল্লেখ্য, ট্রাম্প জানিয়েছেন, বিক্ষোভ প্রশমিত না হলে তিনি প্রেসিডেন্ট ক্ষমতা ব্যবহার করে সেনা নামাবেন।

সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে একটি হ্যাশট্যাগ #ব্ল্যাকআউট_টুয়েসডে, এটি আসলে জর্জ ফ্লয়েড ‘হত্যা’কাণ্ডের প্রতিবাদে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই বিক্ষোভকে সমর্থন করে একটি কালো পর্দার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা হচ্ছে। টিফনি ট্রাম্প (২৬) সেখানে ক্যাপশন দিয়েছেন, “একা আমরা খুব ছট কিছু অর্জন করতে পারি, একসঙ্গে আমরা অনেক কিছু অর্জন করতে পারি।- হেলেন কিলার”। একইসঙ্গে টিফনির ওই পোস্টে হ্যাশট্যাগ হিসেবে দেওয়া ছিল, ‘#blackoutTuesday’ ও ‘#justiceforgeorgefloyd’।

সম্প্রতি আমেরিকায় বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে বিশেষত জর্জ ফ্লয়েড নামের এক কৃষ্ণাঙ্গকে শেতাঙ্গ পুলিশ যেরকম নির্মমভাবে হত্যা করেছে তার প্রতিবাদের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলছে। এই বিক্ষোভের ঘটনা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সংকটে ফেলেছে। তিনি বিক্ষোভ দমনে শক্তি প্রয়োগের হুমকি দিয়েছেন। এমনকি প্রতিবাদীদের ঠান্ডা করতে সেনা নামানোর হুমকি দিয়েছেন।

বিক্ষোভের প্রতিবাদে ট্রাম্পের এহেন হুমকিতে গণতন্ত্রের জন্য বড় ধাক্কা বলে মনে করছে সচেতন মহল। এমন ঘটনায় নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে আমেরিকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগওন। এভাবে শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বিশেষ করে সেনা নামিয়ে বিক্ষোভ দমনের বিষয়ে পেন্টাগন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ