ওয়াশিংটন : ক্যাপিটল হিলের তান্ডবে তিনি উস্কানি দেননি। এরই সঙ্গে ইমপিচমেন্ট শুনানি থেকেও ছাড়। একসাথে জোড়া পাওনা প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তবে খুশি নন তিনি একেবারেই। ইমপিচমেন্ট রায়ের পর সরব হলেন ট্রাম্প। নিজেকে বলির পাঁঠা বলে সম্বোধন করেছেন তিনি (greatest witch hunt in history)।পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস তাঁকে মনে রাখবে। যেভাবে তাঁর সঙ্গে আচরণ করা হল, তা নতুন একটা বলির পাঁঠা খোঁজার প্রক্রিয়া মাত্র।

শনিবার মার্কিন সেনেট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বেকসুর খালাস দেয়। রিপোর্ট বলছে রিপাবলিকানদের বড় অংশ এদিন ট্রাম্পের পক্ষে ভোট দেয়। ফলে দ্বিতীয় বারের ইমপিচমেন্ট থেকে ছাড় পান ট্রাম্প। ১০০ সদস্যের সেনেটের ৫৭ জন সদস্যের বিচারে তিনি অভিযুক্ত হলেও, ৪৩ জন ট্রাম্পের পক্ষেই রায় দিয়েছেন। ৬ই জানুয়ারি ক্যাপিটল হিংসার দায় থেকেও মুক্ত করা হয়েছে তাঁকে।

সেনেটের ভোট শেষ হওয়ার পর ট্রাম্প তাঁর টিম ও আইনজীবীদের ধন্যবাদ জানান। সব অভিযোগ থেকে মুক্ত হওয়ার ফলে ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দৌড়ে নামতে পারবেন তিনি। উল্লেখ্য গত ৯ই ফেব্রুয়ারি সেনেটে ট্রাম্পের ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া শুরু হয়।

ট্রাম্পের ইমপিচমেন্ট ট্রায়াল অসাংবিধানিক বলে মন্তব্য করেছিলেন তাঁর অ্যাটর্নি ডেভিড স্কোহেন। তিনি জানিয়েছিলেন, সেকেন্ড ইমপিচমেন্ট ট্রায়াল খুব কম সময়ের মধ্যে নির্ধারিত হয়েছে। তিনি এও বলেন ইমপিটমেন্ট ট্রায়াল অসাংবিধানিক। ট্রাম্প কোনওভাবেই বিক্ষোভকে ইন্ধন দেননি। ট্রাম্পের ডিফেন্স টিম এও বলে যে তাঁর বক্তৃতা ফার্স্ট অ্যামেন্ডমেন্ট দ্বারা সুরক্ষিত ছিল। হাউজ ম্যানেজাররা ট্রাম্পের টিমকে তাদের বক্তব্য পেশ করার জন্য ১৬ ঘণ্টা সময় দিয়েছিল। এটি ট্রাম্পের সেকেন্ড ইমপিচমেন্ট। ক্যাপিটলে বিক্ষোভে মদত দেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এই ইমপিচমেন্ট হয়।

তবে মেরিল্যান্ডের প্রতিনিধি জেমি রাসকিন একটি ভিডিও প্রেজেন্টেশন দেখান। ক্যাপিটল হিলে কীভাবে ট্রাম্পের সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখিয়েছিল, তার একটি নমুনা তিনি এদিন দেখান। ভিডিওয় দেখা যায় কীভাবে জনতা ট্রাম্পের কথা শুনে ক্যাপিটলের উপর হামলে পড়েছিল। ট্রাম্পই তাঁর বক্তৃতায় সমর্থকদের ক্যাপিটল জয় করতে ইন্ধন দিয়েছিলেন। ১৩ মিনিটের ওই ভিডিওয় দেখানো হয়েছিল ২ জানুয়ারি ট্রাম্পের একটি টুইটও দেখানো হয়। সেই টুইটে বলা হয়েছিল, এই ধরণের ঘটনাগুলি তখনই ঘটে যখন পবিত্র নির্বাচনে ধস নামে এবং সেটি আনুষ্ঠানিক নয় এমন ভাবে ও খুব খারাপভাবে ঘটনো হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.