ওয়াশিংটন: আমেরিকার স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছা জানানোয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে পাল্টা কৃতজ্ঞতা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নরেন্দ্র মোদীকে বন্ধু বলে সম্বোধন করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমেরিকা ভারতকে ভালোবাসে।’ ৪ জুলাই আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস। মার্কিনিদের স্বাধনীতা দিবসে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই শুভেচ্ছারই পাল্টা কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ট্রাম্প।

ডোনাল্ডা ট্রাম্পের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদীর সম্পর্ক মধুর। অনেক রাষ্ট্রনেতাদের মধ্যে মোদীকে ব্যক্তিগতভাবেও পছন্দ করেন ট্রাম্প। একদিকে বন্ধু ট্রাম্পের ডাকে সাড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রী যেমন ‘হাউডি মোদী’ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ছুটে গিয়েছেন সূদূর মার্কিন মুলুকে, তেমনি ট্রাম্পও মোদীর ডাকে সাড়া দিয়ে ‘নমস্তে ট্রাম্প’ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ছুটে এসেছিলেন ভারতে।

প্রধানমন্ত্রী মোদী ও রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের মধ্যে নিবিড় যোগাযোগ বারবারই প্রমাণিত হয়েছে। করোনায় ব্যবহৃত হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন দেওয়ার ক্ষেত্রেও মোদীকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছিলেন ট্রাম্প। কৃতজ্ঞতা স্বরূপ করোনা চিকিৎসার জন্য ট্রাম্পও ভারতকে ভেন্টিলেটর পাঠিয়েছিলেন।

সেই সৌহার্দ্য় বিনিময়ের পরে আবারও দুই রাষ্ট্রনেতার শুভেচ্ছা বিনিময়। ৪ জুলাই আমেরিকার স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সোশাল মিডিয়ায় তাঁর শুভেচ্ছাবার্তায় লেখেন, ‘মার্কিন রাষ্ট্রপতি ও আমেরিকাবাসীকে অভিনন্দন। এই দুই দেশ বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র।’ মোদীকে পাল্টা কৃতজ্ঞতাজ্ঞাপনে ট্রাম্প লেখেন, ‘ধন্যবাদ বন্ধু মোদী। আমেরিকাও ভারতকে ভালোবাসে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।