ওয়াশিংটন: ঐতিহাসিক জয়ের পর শুভেচ্ছার প্লাবনে ভেসে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ বিদেশ থেকে রাষ্ট্রনেতারাও ফোন করে তাঁকে জয়ের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন৷ এবার ফোন এল হোয়াইট হাউস থেকে৷ শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নরেন্দ্র মোদীকে ফোন করেন৷ দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফিরে আসার জন্য তাঁকে শুভেচ্ছা জানান৷ সেই সঙ্গে মোদীর সঙ্গে সাক্ষাতের দিনও স্থির করে ফেলেন ট্রাম্প৷

আগামী মাসে জাপানে বসবে জি-২০ সম্মেলন৷ সেখানেই দেখা হবে ট্রাম্প-মোদীর৷ দু’জনেই আশা প্রকাশ করে জানান, ওই জি-২০ সম্মেলনে ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও মজবুত হয়ে উঠবে৷ হোয়াইট হাউসের তরফে তেমনই বিবৃতি দেওয়া হয়৷ উল্লেখ্য, জুন মাসের ২৮ ও ২৯ তারিখ হবে জি-২০ সম্মেলন৷

বৃহস্পতিবার দেশের বিভিন্ন কোণ থেকে যেমন মোদীর উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছাবার্তা আসে৷ তেমনই অভিনন্দন আসে প্রতিবেশী চিন থেকেও৷ চিনা প্রেসিডেন্ট জি জিংপিং-এর বার্তা, সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে মোদীর নেতৃত্বে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সের জয়ে মোদীকে শুভেচ্ছা৷ সেই সঙ্গে ভারত-চিনের সুসম্পর্কের ওপরও জোর দিয়েছেন তিনি৷ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে উন্নয়ন থেকে একে অপরের ওপর ভরসাতেও জোর দেন চিনা প্রেসিডেন্ট৷ সেই সঙ্গে মোদীর শারীরিক সুস্থতা এবং সাফল্য কামনা করেছেন জি জিংপিং৷

বারাণসীতে যখন মোদীর জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়, তখনই ট্যুইট করেন ইমরান খান। তিনি লিখেছেন, ‘মোদী ও তাঁর সঙ্গীদের জয়ে আমি অভিনন্দন জানাই। আগামিদিনে দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি স্থাপনে একসঙ্গে উন্নয়নের কাজ করতে পারব আগামিদিনে।’

ভোট শুরুর আগে ইমরান খান বলেন, কাশ্মীর সমস্যা সমাধান করার জন্য হয়তো নরেন্দ্র মোদীর দল বিজেপি নির্বাচনে জিতলেই ভালো হবে, কারণ মোদী ভারতের দক্ষিণপন্থী হিন্দুদের সমর্থন পাবেন। রয়টার্সকে দেওয়া আরও এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, অন্য কোন পার্টি জিতলে তারা হয়তো পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা করতে গেলে হিন্দু ‘ব্যাকল্যাশের’ ভয়ে থাকবে।