কলকাতা: বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কার্যকর হয়েছে কলকাতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। করোনা লকডাউনে দু’মাস কেটে যাওয়ার পরে শুরু হয়েছে অন্তর্দেশীয় বিমান পরিষেবা। যদিও গোটা দেশে মে মাসের ২৫ তারিখ বিমান পরিষেবা শুরু হয়েছে তবে মে মাসের ২০ তারিখ সুপার সাইক্লোন আমফানের প্রভাবে মেশিনপত্রের ব্যপক ক্ষতি হয়েছে তা সংস্কারের কাজে থাকার জন্য তা শুরু করা সম্ভব হয়নি।

বাংলার বিস্তারিত এলাকা আমফানে বিধ্বস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা বেজে ৫ মিনিটে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে ৪০ জন যাত্রীকে নিয়ে গুয়াহাটির উদ্দেশে রওনা হয়েছে প্রথম বিমান। পাশাপাশি, ১২২ জন যাত্রীকে নিয়ে নয়াদিল্লি থেকে কলকাতায় এসে পৌঁছেছে আরেকটি বিমান।

কলকাতা বিমানবন্দরের তরফে ট্যুইট করে জানানো হয়েছে, “কলকাতা বিমানবন্দরে যাত্রীদের সুস্বাগতম। দু’মাস পরে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে ১২২ জন যাত্রীদের নিয়ে এসে পৌঁছেছে অন্যদিকে ৪০ জন যাত্রীকে নিয়ে গুয়াহাটির উদ্দেশ্যে বিমান রওনা হয়েছে। সব নিয়ম মানা হয়েছে। টার্মিনালে স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে”। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সারাদিনে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে দশটি বিমান উড়বে এবং একই সংখ্যায় অন্তর্দেশীয় বিমান সেখানে এসে পৌঁছবে।

উত্তরবঙ্গের বাগডোগরা বিমানবন্দরেও এদিন বিমান পরিষেবা শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, যে সকল যাত্রীরা কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন তাঁদের রাজ্যে পৌঁছে রাজ্যে স্বাস্থ্য আধিকারিকদের কাছে ‘সেলফ ডিক্লেয়ারেশন ফর্ম ভর্তি করে জমা দিতে হবে।

এছাড়াও, সকল যাত্রীদের বিমানে ওঠার আগেই হেলথ স্ক্রিনিং প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। কলকাতা বিমানবন্দরে পোঁছেও যাত্রীদের স্ক্রিনিং করা হবে। বিমানবন্দরে হাইজিন এবং সোশ্যাল ডিসট্যানসিংয়ের নিয়ম মেনে চলার জন্য প্রয়োজনীয় এবং পর্যাপ্ত প্রচার চালানো হচ্ছে এবং সব ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলেই জানানো হয়েছে।

গাইডলাইনে বলা হয়েছে, উপসর্গবিহীন যাত্রীদের নির্দেশ সহকারে বিমানে ওঠার অনুমতি দেওয়া হবে এবং ১৪ দিনের জন্য নজরদারিতে থাকতে হবে। তবে উপসর্গ লক্ষ করা গেলে তাঁদের স্থানীয় মেডিক্যাল অফিসারদের অথবা রাজ্যের হেল্প লাইন নম্বর ১৮০০ ৩১৩ ৪৪৪ ২২২/০৩৩-২৩৪১২৬০০,২৩৫৭৩৬৩৬/১০৮৩/১০৮৫ নম্বরে ফোন করতে হবে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ