টোকিও: মানুষ পৃথিবীর সবথেকে উন্নত জাতি। সে তার বেঁচে থাকার স্বার্থে বশ মানায়নি এমন কম জিনিসই রয়েছে। যে প্রাণীর সঙ্গে তাদের আবির্ভাব, সেই প্রাণীকেও হত্যা করতে পিছ পা হয় না এই মানুষ। এমনই নৃশংস এক প্রথা রয়েছে জাপানে। সেখানে হাজার হাজার ডলফিনকে হত্যা করা হয় একটি উৎসবের জন্যে। একসময় শান্তিপ্রিয় দেশ হিসেবে নাম ছিল জাপানের। তবে এই কাহিনী তাদের অন্য রূপ দেখাবে।

ডলফিন হান্টিং ড্রাইভ নামক এই উৎসব সেখান হয় প্রতি বছর ১ লা সেপ্টেম্বর। এটি শেষ হয় পরের বছর ফেব্রুয়ারিতে। সেখানে ২ হাজার ডলফিন হত্যার অনুমতি থাকে। তবে সেই সংখ্যাও মাঝে মাঝে বেড়ে গিয়ে বীভৎসতার রূপ নেয়। আর শুধু তাই না, সমুদ্রে খুঁজে খুঁজে নির্বিচারে ডলফিন হত্যা করতে গিয়ে অনেক সময় মারা যায় অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণীরাও।

আরো পোস্ট-  এই দ্বীপে নেই একটিও সাপ!

এই হত্যালীলার কারণ হলো স্যুপ। তারা ডলফিন হত্যা করে তা দিয়ে স্যুপ খায়। সেই বিশেষ স্যুপ তৈরি হয় ডলফিনের পাখনা এবং তেল দিয়ে। তাছাড়া মাংস তো রয়েছেই। এই স্যুপের দাম বেশ অনেকটাই থাকে। আবার যে ডলফিনগুলি বেঁচে থাকে তাদের পাঠানো হয় নানা সার্কাস ও চিড়িয়াখানায়। জাপানের দক্ষিণ পশ্চিম উপকূল এবং প্রশান্ত মহাসাগর তীরবর্তি তাইজি শহর মাতে এই উৎসবে।

এতো ডলফিন ধরতে তারা ফেলে ফাঁদ। এক ট্রলার থেকে স্টিলের পাইপের এক প্রান্ত সমুদ্রের জলে ফেলে দেওয়া হয়। কাঠের হাতুড়ি দিয়ে পাইপে আঘাত করলে যে সুরেলা শব্দ বের হয় তার আকর্ষণে ছুটে আসে ডলফিনগুলি। জাল দিয়ে ধরে সারারাত তাদের রেখে দেওয়া হয়। এবার ভাগ করা হয় যে কোন ডলফিন জীবিত থাকবে ও কোন ডলফিনকে মারা হবে। ডলফিনগুলির স্পাইনাল কর্ডের ভেতর লম্বা রড ঢুকিয়ে মেরে ফেলা হয় তাদের।

এই উৎসব শুরু হয়েছে ১৯৬৯ সাল থেকে। এরপর বারবার এই বীভৎস অত্যাচার নিয়ে মুখ খুলেছেন অনেকে। হয়েছে সিনেমাও। ২০১৯-২০ মরশুমের ডলফিন হত্যা উৎসব শেষ হয়েছে ১ লা মার্চে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।