দোহা: ফের একবার ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকা শীর্ষ জঙ্গি নেতাদের হাতের নাগালে পাবে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ কর্তারা। উপস্থিত থাকবেন খোদ মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও। তবে হাত গুটিয়েই রাখতে হবে সবাইকে। প্রথমবারের মতো আফগানিস্তান সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় বসতে চলেছে তালিবান জঙ্গি সংগঠন।

এবারেও বৈঠকের কেন্দ্র কাতারের রাজধানী দোহা। আরব মুলুকের অতি বিলাসবহুল এই শহরে প্রথমবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তালিবান প্রথম দফার বৈঠকে অংশ নিয়েছিল। তাতে সিদ্ধান্ত হয় আলকায়েদার মতো সংগঠনকে আফগান মাটিতে থাকতে দেবে না তালিবান। আল জাজিরার খবর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চাইছেন এবারের বৈঠকেই শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হোক। তেমন হলে নির্বাচনের আগে এটি ট্রাম্প সরকারের বড় সাফল্য বলেই চিহ্নিত হবে।

আল জাজিরা জানাচ্ছে, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ারে বিমান হামলার পরে আফগানিস্তানে সেনা পাঠিয়ে তালিবান বিরোধী অভিযান শুরু করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ১৯ বছর টানা যুদ্ধের শেষ চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই সূত্রে তালিবানের সঙ্গে আফগান সরকারের স্থায়ী শান্তিচুক্তি জরুরি।

আল জাজিরার খবর, দোহা বৈঠকের পর শান্তি চুক্তি রূপায়ণে আফগান সরকার ৫ হাজার বন্দি তালিবান জঙ্গি কে ছেড়ে দেবে। পরিবর্তে তালিবান ছাড়ছে ১ হাজার বন্দি আফগানি সেনা।

বৈঠকে থাকে ২১ সদস্যের আফগান প্রতিনিধিদের নেতৃত্বে দেশটির প্রাক্তন গোয়েন্দা প্রধান মাসুম স্তানেকজাই। তালিবান প্রধান হাইবাতুল্লা আখুন্দাজাদা। সহ শীর্ষ জঙ্গি নেতৃত্ব। থাকবেন কাতার সরকারের প্রতিনিধি। তবে মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেওর উপস্থিতি বিশেষ লক্ষ্যনীয়।

এদিকে শান্তি বৈঠকের দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখছে ভারত, পাকিস্তান। এই দুই দেশের দূতাবাস রয়েছে কাতারে। আফগানিস্তানের অন্দরে প্রবল আলোচনা। তালিবান হামলায় এমনিতেই জর্জরিত প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানির সরকার। শান্তি চুক্তি কি রক্তাক্ত আফগানিস্তানে শান্তি আনবে, আশা নিরাশায় দুলছেন আফগানিরা।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।