স্টাফ রিপোর্টার, তমলুক : কেন্দ্রের অসহযোগিতা, রাজ্যের কোষাগারে ঘাটতির মধ্যেই উৎসব মরসুমের আগেই রাজ্যবাসীকে নতুন উপহার তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রবিবার থেকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সৈকত শহর দিঘায় বেড়াতে আসা পর্যটকেরা এবার নতুন ডেস্টিনেশান পেলেন। রবিবার দিঘার সৈকতে বনদফতরের উদ্যোগে প্রায় দু’কোটি টাকা ব্যয়ে ওশিয়ানা ঘাট থেকে যাত্রানালা পর্যন্ত প্রায় দীর্ঘ এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিনোদনমূলক পার্ক এর উদ্বোধন করলেন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দোপাধ্যায়।

এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রামনগর এর বিধায়ক অখিল গিরি, রামনগর – ১ পঞ্চায়েত সমিতির জন স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ সুশান্ত পাত্র, বনদফতর এর আধিকারিক প্রমুখ।

এদিন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দোপাধ্যায় বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বসার পরেই সৈকত শহরের চারিদিকটা দ্রুততার সাথে বদলেছে। এখন আর শুধু এই রাজ্য নয়,দেশের বিভিন্ন প্রান্ত এমনকি বিদেশী পর্যটকেরাও কম বেশী ভিড় করছেন দিঘায়। পর্যটন শিল্পে জোয়ার এসেছে। তবে আরো কিছু কাজ আছে।

বনমন্ত্রী বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্ন দিঘাকে বিশ্ব পর্যটন মানচিত্রে তুলে আনা। তাই তার পরিকাঠামো উন্নয়ন-সৌন্দর্যায়নে জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতিদিন মান্দারমনি-তাজপুর-শংকরপুর-দিঘা প্রমুখ সৈকত শহরে সরকারের কোনও না কোনও উন্নয়নী কর্মকান্ড চলছে।” আগামিদিনে দিঘা একটা অন্য রূপ পাবে বলে আশাবাদী রাজ্যের বনমন্ত্রী।

অন্যদিকে, লম্বা ছুটি। দীর্ঘ কয়েকমাস লকডাউনে বন্দি জীবন কাটিয়েছে বাঙালি। যদিও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে পরিস্থিতি। ইতিমধ্যে দিঘা, মন্দারমণি খুলে দেওয়া হয়েছে। ধীরে ধীরে মানুষজনও সেখানে ভিড় জমাতে শুরু করেছে। লম্বা এই ইউকেন্ডে ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায় মন্দারমনি, দিঘাতে।

একেবারে শুক্র, শনি এবং রবিবার লম্বা ছুটিতে সাধারণ মানুষজন ভিড় জমিয়েছে এই সমস্ত সৈকত শহরে। করোনাকে উপেক্ষা করেই মানুষজন প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নিয়েছে।

এবার আগামিদিনে দিঘাতে গেলে নতুন ডেস্টিনেশনের স্বাদ পাবেন ভ্রমণ পিপাসু বাঙালিরা। দিঘার সৈকতে বনদফতরের উদ্যোগে প্রায় দু’কোটি টাকা ব্যয়ে ওশিয়ানা ঘাট থেকে যাত্রানালা পর্যন্ত প্রায় দীর্ঘ এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিনোদনমূলক পার্ক তৈরি হচ্ছে। একেবারে সমুদ্রের ধার ঘেঁষে থাকবে আনন্দের নানান পসরা!

ইতিমধ্যে দিঘাকে ঘিরে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাজানো হয়েছে গোটা সৈকত শহরকে। এবার আরও একধাপ এগিয়ে বিনোদনমূলক পার্ক বানাচ্ছে বন দফতর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।