ফাইল ছবি

মুম্বই: নির্বাচনী বিধি ভাঙার অভিযোগ উঠল সারমেয়র বিরুদ্ধে৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বিজেপির হয়ে প্রচার করছিল ওই সারমেয়৷ এমনই গুরুতর অভিযোগ উঠল৷ খবর পেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিল পুলিশ৷ নির্বাচনী বিধি ভাঙায় আটক করা হল ওই চারপেয়কে৷ সঙ্গে তার মালিককেও৷

আরও পড়ুন: ৮১ কোটি টাকার মালিক সানি দেওল, ঋণ প্রায় ৫২ কোটি

চমকে যাওয়ার মতো ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের নন্দুরবার শহরে৷ এদিনই রাজ্যের ১৭টি লোকসভা আসনে ভোটগ্রহণ চলে৷ তারই মধ্যে অভিযোগ ওঠে, ভোটের দিন বিজেপির হয়ে ভোট প্রচার করছেন এক ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি৷ ভোটপ্রচারে তিনি ব্যবহার করেন নিজের পোষ্য সারমেয়কে৷ পরে জানা যায় ওই ব্যক্তির নাম মোতিরাম চৌধুরী (৬৫)৷

মোতিরাম এদিন তাঁর কুকুরকে নিয়ে ভোট প্রচারে বের হন৷ প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, ওই ব্যক্তির কুকুরের শরীর একটি কাপড়ে ঢাকা ছিল৷ তাতে লেখা ছিল ‘‘মোদী লাও দেশ বাঁচাও৷’’ অর্থাৎ মোদীকে নির্বাচনে জিতিয়ে দেশ বাঁচান৷ কাপড়ে বিজেপির প্রতীক চিহ্ন ছিল৷

কুকুরকে নিয়ে রাস্তায় যখন ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন তখন স্থানীয় ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীদের নজরে পড়ে বিষয়টি৷ তারা খবর দেয় পুলিশকে৷ বিরোধীদের অভিযোগ, আজ রাজ্যে ভোট৷ মোতিরাম যা করেছেন সেটা নির্বাচনী প্রচার৷ আর ভোটের দিন নির্বাচনী প্রচারের উপর জারি থাকে নিষেধাজ্ঞা৷

আরও পড়ুন: বিজেপির প্রচারে হনুমানের জিপে অবতরণ

এর পরেই মোতিরামের বিরুদ্ধে বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট প্রচার ও নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের অভিযোগ আনে বিরোধীরা৷ অভিযোগ পেয়ে আন্ধেরী হাসপাতাল চত্ত্বর থেকে তাঁকে আটক করে পুলিশ৷ সেই সময় কুকুর নিয়ে সেখানেই ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন তিনি৷ আটক করা হয় তাঁর সারমেয়কে৷

মোতিরামের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৭১ ধারা(এ) মামলা রুজু করা হয়৷ থানায় মোতিরামকে নিয়ে যাওয়া হলেও সেখানে তো কুকুর রাখার ব্যবস্থা নেই৷ তাই মুশকিলে পড়েন তদন্তকারীরা৷ পরে অবশ্য মুশকিল আসান হয়৷ স্থানীয় পুরসভাকে মোতিরামের কুকুরের দায়িত্ব নিতে বলা হয়৷