কলকাতা: বলিউডে মহাভারত নতুন করে তৈরীর কাজ শুরু হয়েছে‌। ছবির প্রযোজনা করছেন খোদ বলিউড দিভা দীপিকা পাডুকোন। তাঁকেই নাকি দেখা যাবে দ্রৌপদীর চরিত্রে। কিন্তু টলিপাড়াই বা পিছিয়ে থাকে কেন। সম্প্রতি সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের একটি পোস্টে জল্পনা শুরু হয়েছে টলিউডেও নাকি নতুন মহাভারত তৈরি হতে চলেছে।

করোনা সংক্রমণের আতঙ্ক থেকে মুক্তি পেতে ফেসবুকে নানান রকম পোস্ট ঘুরে বেড়াচ্ছে। মারণ ভাইরাস যেরকম সাংঘাতিক তেমনই এর আতঙ্কে মানসিকভাবে মুষড়ে পড়ছেন অনেকেই। এসব থেকে বিরত থাকতে একটি মজার পোস্ট করলেন বাংলার পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়। সেই পোস্টে সৃজিত মহাভারতের কাস্টিং নিয়ে আলোচনা করেছেন। অর্থাৎ মহাভারতের কোন চরিত্রের কোন অভিনেতারা মানানসই তা নিয়ে একেবারে ভক্তদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করেছেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়।
সৃজিৎ তার মহাভারতের কাস্টে রেখেছেন, অনির্বাণ ভট্টাচার্য , পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, আবীর চট্টোপাধ্যায়, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, কাঞ্চন মল্লিক, অপর্ণা সেন, রজতাভ দত্ত, যীশু সেনগুপ্ত এবং পাওলি দামকে।

দুঃশাসনের ভূমিকায় রেখেছেন ইন্দ্রনীল সেনগুপ্তকে। নকুলের ভূমিকায় অর্জুন চক্রবর্তী এবং সহদেবের ভূমিকায় অনিন্দ্য। ভীষ্মের ভূমিকায় চিরঞ্জিত, গান্ধারীর ভূমিকায় তনুজা, অশ্বথমার ভূমিকায় ঋদ্ধি সেন, কৌশিক সেন কৃপাচার্যের ভূমিকায়, এবং অভিমন্যুর ভূমিকায় ঋতব্রত মুখোপাধ্যায়। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের রয়েছেন বেদব্যাসের ভূমিকায়। একলব্যর চরিত্রে সৃজিত ভেবেছেন রুদ্রনীলকে, অম্বা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, ঘটোৎকচ নাইজেল আকারা।

এছাড়া ফলোয়াররাও পোস্টটিতে নিজেদের পছন্দের মতামত জানিয়েছেন। কেউ বলছেন তারা কৃষ্ণের ভূমিকায় দেখতে চান পরমব্রতকে। কেউ আবার বলছেন যীশু সেনগুপ্তই নাকি মানানসই কৃষ্ণ। আবার অনেকে বলছেন শকুনির ভূমিকায় সবচেয়ে ভালো রুদ্রনীল। তবে সৃজিতের কল্পনায় কে রয়েছেন কোন চরিত্রে তা সময় বলতে পারবে। যদিও সত্যি সৃজিত মহাভারত তৈরি করবেন কিনা, নাকি স্রেফ সময় কাটানোর জন্য ভক্তদের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় আড্ডা দিচ্ছেন তাও সময়ই বলতে পারবে।

প্রসঙ্গত কিছুদিন আগেই আফ্রিকা থেকে শুটিং করে ফিরেছে সৃজিত মুখোপাধ্যায়। সরকারের নির্দেশ মতোই বিদেশ থেকে ফিরে কোয়ারেন্টাইন রয়েছেন পরিচালক। এমনকি বাড়িতে আসছেন না গাড়ির চালক পরিচারিকাও। সৃজিতের মাও রয়েছেন অন্য বাড়িতে। তাই বলাই যায় এখন সবকিছু থেকে দূরে সরিয়ে একেবারে ঘরবন্দি পরিচালক। এবং বারবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তার ভক্তদের বাড়িতে থাকার অনুরোধ করছেন তিনি। কারণ বাড়িতে থেকে একমাত্র এই মারণ ভাইরাসের মোকাবিলা করা সম্ভব।

উল্লেখ্য ক্রমশ এদেশেও আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এখনো পর্যন্ত এদেশে আক্রান্তের সংখ্যা ৫২৬। মৃত্যু হয়েছে ১০জনের। তোদের মধ্যে একজন কলকাতার দমদম এর বাসিন্দা।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ