নয়াদিল্লি: সমকামিতা বংশগত মানসিক রোগ৷ এমনই ধারণা ছিল ওই চিকিৎসকের৷ সেই ধারণার বশেই মারাত্মক ঘটনা ঘটালেন এক চিকিৎসক৷ তাঁর কাছে যাঁরা চিকিৎসার জন্য আসত, সেই সব সমকামীদের পরিবর্তন করতে বদ্ধপরিকর ছিলেন তিনি৷ আর তার জন্য সমকামী পুরুষ ও মহিলাদের জন্য তাঁর দাওয়াই ছিল বিদ্যুতের শক৷

বেশ কিছু এই ধরণের অভিযোগ পাওয়ার পরেই দিল্লি আদালত ওই চিকিৎসককে সমন পাঠায়৷ যদিও আগেই ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করে দিল্লি মেডিক্যাল কাউন্সিল৷ ওই চিকিৎসককে বহিষ্কার করা হয়৷ তবে অভিযোগ দিল্লি মেডিক্যাল কাউন্সিলের বহিষ্কারের পরেও, নিজের প্র্যাকটিস চালিয়ে যাচ্ছিলেন ওই চিকিৎসক৷

আরও পড়ুন : ‘ব্যাংক থেকে ২২ হাজার ৫০২ কোটি টাকা লোপাট হয়েছে’

এরপরেই হস্তক্ষেপ করে আদালত৷ তাকে সমন পাঠানো হয়৷ পি কে গুপ্তা নামে ওই চিকিৎসক কেন এই ধরণের অবৈজ্ঞানিক ও নৃশংস কাজ করতেন, তার জবাবদিহি চেয়ে পাঠানো হয়েছে৷ শুধু শক থেরাপিই নয়, নানা রকম হরমোনাল পরীক্ষা নিরীক্ষাও নাকি করতেন ওই চিকিৎসক৷ ফলে স্বাভাবিকভাবেই আরও অসুস্থ হয়ে পড়তেন তাঁর কাছে আসা রোগীরা৷ ২০১৬ সাল থেকে এই ধরণের চিকিৎসা পদ্ধতি চালিয়ে আসছিলেন বলে জানা গিয়েছে৷

এদিন শুনানিতে মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট অভিলাষ মালহোত্রা জানান, কাউন্সিল থেকে বহিষ্কারের পরেই কী করে একজন চিকিৎসক প্র্যাকটিস করতে পারেন? আর তার এই কনভারশন থেরাপি কোনও চিকিৎসাবিজ্ঞান দ্বারা অনুমোদিত নয়৷ ফলে তিনি একজন অপরাধীর মত কাজ করেছেন৷ এই কাজের সাজা হতে পারে কারাদন্ড৷

আরও পড়ুন: রত্নার সংস্থার গোপন তথ্য ফাঁস করবেন বৈশাখী! শুনেই কি বললেন শোভন-পত্নী?

স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা নাজ ফাউন্ডেশন পক্ষ থেকে ওই চিকিৎসকের নামে প্রথম অভিযোগ দায়ের করা হয়৷ তিনি বেআইনী ভাবে চিকিৎসা করছেন এই মর্মে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে৷

1 COMMENT

  1. সমকামিতা পরিবেশের বিসদৃশ প্রভাবে অর্জিত এবং হরমোন ঘটিত এক বিকৃত যৌনাচারের বহির্প্রকাশ। কাউন্সেলিং করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা ক‍রা উচিত।

Comments are closed.