কলকাতা: কোনো ডাক্তার চায় না তার কোনো একটি রোগীর মৃত্যু ঘটুক। যে কোন ডাক্তারের কাছেই প্রাথমিক কর্তব্য যে কোন পরিস্থিতির মধ্যে নিজের রোগীর প্রান বাঁচানো। আর এই কারণে সকল ডাক্তারেরা আপ্রাণ চেষ্টা করে থাকেন। তবে সম্প্রতি জানা গিয়েছে এক নতুন তথ্য। অপারেশন চলাকালীন আদালতে ভিডিও কল মারফত হাজিরা দিলেন এক চিকিতসক। নিজের রোগীকে বাঁচানোর জন্য এই কাজ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে ক্যালিফোর্নিয়াতে। জানা গিয়েছে ট্র্যাফিক আইন ভাঙ্গার কারণেই তাঁকে আদালতে হাজিরা দিতে হয়েছিল। করোনা পরবর্তী সময়ে বিশ্বজুড়ে বেড়েছে ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহারের হার। আর সেই কারণেই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমেই এই কাজ করেছেন ওই চিকিতসক। তবে ক্যালিফোর্নিয়ার মেডিক্যাল বোর্ডের তরফে জানা গিয়েছে বিষয়টি নিয়ে তাদের তরফে বিস্তারিত তদন্ত করা হবে। ওই ডাক্তারের নাম ডঃ স্কট গ্রিন। আর করোনা অতিমারীর কারণেই তিনি ডিজিটাল পদ্ধতিতে হাজিরা দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অদ্ভুত হলেও এটাই সত্যি।

আরো পোস্ট- আপনার সঙ্গী কি “মাম্মাজ বয়”…দেখুন কীভাবে সামলাবেন

এছাড়া সেই সময়ে তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অপারেশন ছিল। আর সেই কারণেই অপারেশন করতে করতেই হাজিরা দিয়েছিলেন আদালতে। অপারেশন টেবিলে নিজের বিশেষ পোশাক পরেই তিনি হাজিরা দিয়েছিলেন। এমনকি অপারেশন থিয়েটারের ভেতরে থাকা বেশ কিছু যন্ত্রপাতির আওয়াজ শোনা গিয়েছিল ওই শুনানি চলাকালীন। যদিও প্রাথমিক ভাবে বিচারক নিজেও একটু চমকে গিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরে তিনি নিজেও কথা বলেছিলেন। যদিও ওই ডাক্তার জানিয়েছিলেন তার সঙ্গে আরও একজন সহযোগী ডাক্তার রয়েছে। ফলে ঝুকির কোন সম্ভবনা নেই। কিন্তু ওই জায়গাতে তার আরও একটি অপারেশন রয়েছে। ফলে সেদিক থেকে ভয় ছিল।

সেই কারণেই ওভাবে তিনি আদালতেই শুনানিতে যোগ দিয়েছিলেন। বিষয়টি নিয়ে সেখানকার মেডিক্যাল কাউন্সিলের তরফে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে বলে জানা গিয়েছে। যেহেতু ডাক্তার হিসেবে তার কাছে প্রধান কর্তব্য রোগীর প্রান বাঁচানো। তাই বিষয়টি বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন সেখানকার বিচারপতি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।