মুম্বই :ভারতীয় সঙ্গীত জগতে এক বিশিষ্ট নাম এ আর রহমান। ১৯৬৭ সালের ৬ জানুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জন্মস্থান ভারতের মাদ্রাজ। এ আর রহমানের প্রকৃত নাম ছিল এ এস দিলীপ কুমার। পরবর্তীকালে তিনি মুসলমান ধর্ম গ্রহণ করায় তাঁর নাম হয় এ আর রহমান। মূলত তিনি হিন্দি এবং দক্ষিণ ভারতীয় ছবিতে সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন।

সঙ্গীত তাঁর কেরিয়ার শুরু তামিল সিনেমাতে। মনিরত্নম পরিচালিত রোজা ছবির মাধ্যমে তিনি তার সংগীতের কেরিয়ার শুরু করেন। এই ছবিতে কাজ করার জন্য শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে জাতীয় পুরস্কার পান। পাশাপাশি এই ছবির গানও খুব জনপ্রিয় হয়েছিল।

দক্ষিণ ভারতীয় ছবিতে সঙ্গীতের কাজ করার জন্য খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। তবে রাম গোপাল ভার্মার হিট ছবি রঙ্গিলাতে সঙ্গীত পরিচালনার মাধ্যমে এ আর রহমানের হিন্দি ছবিতে অভিষেক। ওই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন আমির খান উর্মিলা মতন্ডকার এবং জ্যাকি শ্রফ।

খুব কম সময়ের মধ্যেই বেশ কিছু ছবিতে সঙ্গীত পরিচালনার কাজ করায় তার খ্যাতি ছড়িয়ে পরে। ওইসব ছবিগুলির মধ্যে রয়েছে-কাধালন(যার হিন্দি হাম সে হ্যায় মুকাবিলা), দিল সে, ইন্ডিয়ান ( যা হিন্দিতে হিন্দুস্তানি),তাল, বম্বে ইত্যাদি।

২০০৮ সালে ইতিহাস সৃষ্টি করেন এ আর রহমান, তাঁর সঙ্গীত করা ব্রিটিশ ছবি স্লামডগ মিলিয়নিয়ার দুটি অস্কার পায়, দুটি গ্র্যামী একটি বাফটা এবং একটি গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড। স্লামডগ মিলিয়নিয়ার ছবিতে জয় হো গানটির জন্য তিনি একাডেমি অ্যাওয়ার্ড পান।

ওই গানটি অবশ্য প্রথমে তিনি সুভাষ ঘাইয়ের যুবরাজের জন্য তৈরি করেছিলেন। পরবর্তীকালে ২০১১ সালে তিনি আবার অস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন ‌১২৭ আওয়ারস ছবির জন্য। যা ছিল তাঁর চিত্র নির্মাতা ড্যানি বয়েলের সঙ্গে স্লামডগ মিলিয়নিয়ার পর দ্বিতীয় কাজ।

কিছুদিন আগে এ আর রহমান দিল বেচারা-র সঙ্গীত করেন। এর সাউন্ড ট্র্যাক খুবই সফল হয়। ২০১৩ সালে কানাডার একটি রাস্তায় নাম তার নামে নামাঙ্কিত হয়। এদিকে আবার আর রহমান ছবির পরিচালক রূপেও কাজ করেছেন -ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ছবি লে মাস্ক ছবিতে। ২০১৭ সালের এপ্রিলে এই ছবি আমেরিকার দেখানো হয়েছিল। তবে তা এখনও ভারতে মুক্তি পায়নি। এ আর রহমান বিশেষ সঙ্গীত সৃষ্টি করেছিলেন অ্যাভেঞ্জারস :এন্ড গেম ছবির জন্য।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।