চুল পড়ার সমস্যা কম বেশি সকলের৷ চুল পড়া শুরু হলেই কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে যায়৷ শুরু হয়ে যায় ঘরোয়া পদ্ধতিতে চুল পড়া বন্ধের তোড়জোড়৷ তার সঙ্গে তো থাকে বিভিন্ন শ্যাম্পু, কনডিশনর৷ এখন তো আবার কেউ কেউ চিকিৎসকেরও পরামর্শ নেয়৷ কিন্তু এই চুল পড়ার কারণ গুলি অনেকেই জানেন না৷ যদি সেই কারণগুলি জেনে নির্মূল করা যায়৷ তবে মনে হয় সেটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ৷ জেনে নিন আর সেই কারণগুলি থেকে সাবধান হয়ে যান৷

কেমিক্যাল প্রোডাক্ট ব্যবহার করার জন্য চুল পড়ে৷ কারণ তা চুলের কূপগুলিতে জমে যায়৷ ফলে চুলের গোড়া দুর্বল করে দেয়৷

বিভিন্ন শারীরিক অবস্থা যেমন হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, অ্যালোপেসিয়া, স্কাল্পের সংক্রমণ, থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে অতিরিক্ত চুল পড়ে যায়৷

অপুষ্টি বা বিভিন্ন ভিটামিন ও মিনারেলসের অভাব মূলত চুল পড়ার প্রধান কারণ৷ খাদ্য গ্রহণের সময় যদি আমাদের শরীরের চাহিদা অনুযায়ী সব ধরনের পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করা না হয়৷ তবে তা শরীরের ঘাটতি পূরণ করতে পারবে না৷ ফলে অন্য সব কিছুর মতো চুলের গোড়াও দুর্বল হয়ে যাবে৷

অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার, কোল্ড ড্রিংস, অতিরিক্ত চা, কফি পান, অনিয়মিত ও অপর্যাপ্ত ঘুম, কায়িক পরিশ্রম না করা ইত্যাদির সঙ্গে চুল পড়ার সম্পর্ক আছে৷

মাথার চুলের গোড়া অপরিষ্কার থাকলে সহজেই জীবাণুর সংক্রমণ হয়৷ ফলে শুরু হয় অতিরিক্ত চুল পড়া৷

বিভিন্ন রোগের কারণেও চুল পড়া বাড়তে পারে৷ যেমন – টাইফয়েড, ম্যালেরিয়া৷

বিভিন্ন কড়া ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ফলেও চুল পড়তে পারে৷

ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের কেমোথেরাপি দেওয়া হলে চুল পড়ে যেতে পারে৷

অনেক সময় থাকার জায়গা পরিবর্তন করা হলে৷ সেখানকার আবহাওয়া ও জলের জন্য চুল পড়তে পারে৷

মেয়েদের হরমোন জনিত পরিবর্তনের কারণে অনেক সময় চুল পড়া বেড়ে যায়৷ যেমন – গর্ভাবস্থা, মেনোপজ ইত্যাদি সময়ে যখন শরীরে হরমোনের তারতম্য দেখা দেয় তখন চুল পড়া অনেক বেড়ে যায়৷

অতিরিক্ত রাসায়নিক পদার্থ সম্পন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করলে বা চুলে রঙ করা হলে৷

চুলের প্রতি প্রয়োজনীয় যত্ন ও সঠিক পরিচর্যার অভাব হলে মাথার ত্বকে খুশকি হয়৷ এই কারণেও চুল পড়ে৷