বেঙ্গালুরু: সংবাদমাধ্যমের পায়ে বেড়ি পরাতে চান কুমারস্বামী৷ খবরের কাগজ ও টিভি চ্যানেলগুলিকে আইনের আওতায় আনার পক্ষে সওয়াল করেন তিনি৷ কুমারস্বামীর রাগের কারণ, এক শ্রেণির মিডিয়া রাজনীতিকদের খাটো করে প্রচার করে চলেছে৷ এতে সংশ্লিষ্ট রাজনীতিকের সম্মানহানি হচ্ছে৷ সংবাদমাধ্যমের ‘কল্যাণে’ ‘কংগ্রেস-জেডি(এস) সংসারে চিড় ধরেছে’ এই খবর ছড়িয়ে পড়ছে সর্বত্র৷ এতেও দুই দলের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়ার সম্পর্ক নষ্ট হচ্ছে৷

ফাইল ছবি

রবিবার মহিশূরের একটি জনসভায় সাংবাদিকদের উপর কুমারস্বামীর রাগ ঝড়ে পড়ে৷ তাঁর একের পর প্রশ্ন ধেঁয়ে আসে সাংবাদিককুলের কাছে৷ কুমারস্বামীর প্রশ্ন, ‘‘রাজনীতিকরা কি কোনও কার্টুন চরিত্র? ইচ্ছা করলেই কি তাদেরকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে উপস্থাপন করা যায়? কে সাংবাদিকদের এই ক্ষমতা দিয়েছে? রাজনীতিকদের কি মনে করেন আপনারা? আমাদের কোনও কাজ নেই? চাইলেই সহজে আমাদের নিয়ে হাসি ঠাট্টা করা যায়? কাদের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য জনগণের কাছে রাজনীতিকদের খাটো করছেন? আমার মনে হয় এবার সংবাদমাধ্যমকে আইনের আওতায় আনতেই হবে৷ ’’

কংগ্রেস-জেডি(এস) সরকারে ভাঙন ধরেছে বলে যে খবর প্রচার করা হচ্ছে তার জন্য সংবাদমাধ্যমকে দায়ী করেন৷ কয়েকটি চ্যানেলতে তুলোধনা করে বলেন,‘‘কে বলেছে এই সরকার স্থায়িত্ব বেশিদিন নয়? বলা হচ্ছে ২৩ মে’র পর এই সরকার নাকি পড়ে যাবে৷ তাহলে বলে রাখি, সিদ্দারামাইয়া ও রাহুল গান্ধীর শুভেচ্ছা নিয়ে এই সরকার আগামিদিনে এগিয়ে যাবে৷’’

সাংবাদিকদের একাংশকে তিনি মনে করিয়ে দেন এই সরকার তাদের দয়ায় নয়, মানুষের সমর্থনে টিকে আছে৷ রাজ্যের ৬.৫ কোটি মানুষের সমর্থন রয়েছে এই সরকারের প্রতি৷ মিডিয়ার নয়৷ আমি মোটেও মিডিয়াকে ভয় পাই না৷ মিডিয়াতে যা দেখানো হয় সব দেখতে বসলে রাতে আর ঘুম হবে না৷