অমাবস্যা নিয়ে হিন্দুদের অনেক সংস্কার আছে৷ কথাতেই আছে অমাবস্যার দিন নাকি বাতের ব্যথা বা যে কোনও পুরনো ব্যথা বেড়ে যায়৷ তাই বাড়ির বয়স্করা বলেন রাতে ভাত না খেয়ে রুটি খেলে এই ব্যথা থেকে কিছুটা হলেও রেহাই পাওয়া যায়৷ এছাড়াও অনেক রীতিনীতি রয়েছে যেগুলি মেনে চললে অমাবস্যায় ভালো থাকা যায়৷ ৫ জানুয়ারি অর্থাৎ শনিবার বকুল অমাবস্যা৷ এই দিনে আপনার একাধিক মনের বাসনা পূরণ হতে পারে৷ শুধু কিছু টোটকা মেনে চললেই আপনার সংসারে আসবে শান্তি৷

অমাবস্যার রাতে এবং অমাবস্যা চলাকালীন ঘরে ঠাকুরের সামনে প্রদীপ জ্বালান৷ ফলে আপনার ঘরে শুভ শক্তির প্রবেশ ঘটবে৷ এতে আপনি এবং আপনার পরিবার দেব দেবীর আশীর্বাদ লাভ করতে পারবেন৷ এই কাজটি যদি বকুল অমাবস্যার পর থেকে প্রতিদিন করতে পারেন তাহলে মাতা লক্ষ্মী ও নারায়ণ প্রসন্ন হন৷ তাই অবশ্যই ৫ জানুয়ারি এই কাজটি মনে করে করবেন৷

অমাবস্যার দিন সূর্যাস্তের পর তুলসী তলায় অবশ্যই প্রদীপ জ্বালাবেন৷ প্রদীপ দেওয়ার সময় ভুলেও তুলসী গাছকে স্পর্শ করবেন না৷ এতে ঘরে কখনও অর্থের অভাব হয় না৷

সূর্যাস্তের পর বকুল অমাবস্যার দিন বাড়ির সদর দরজার দুই ধারে দুটি প্রদীপ জ্বালাবেন৷ এর ফলে আপনার জীবনে অনেক বাধা কেটে যাবে এবং উন্নতির পথ তৈরি হবে৷ শনিবার অর্থাৎ বকুল অমাবস্যার দিন প্রদীপ জ্বালাতে একদমই ভুলবেন না৷

বকুল অমাবস্যার দিন বাড়ির ছাদে বা বাড়ির বারান্দায় প্রদীপ জ্বালাবেন৷ কারণ এতে আপনার আসে পাশে যে সব খারাপ শক্তি থাকে সেইগুলি বাড়িতে প্রবেশ করতে পারে না৷ এর ফলে আপনার উন্নতি হবে৷ আর বাইরের অশুভ শক্তির থেকেও আপনি নিজেকে ব্যাহত রাখতে পারবেন৷

চেষ্টা করুন এই দিন সন্ধ্যায় মা লক্ষ্মীর পুজো করার৷ কারণ এই দিন পুজো করলে মা লক্ষ্মী প্রসন্ন হন৷ এবং কুবের দেবের আশীর্বাদে আপনার অর্থ উন্নতি ঘটবে৷